‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ’ ফুটবল প্রতিযোগিতার নীতিমালা প্রকাশ মাউশির

২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৩ PM , আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৯ PM
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর © সংগৃহীত

দেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার প্রসার ঘটানো, মেধাবী ফুটবলার নির্বাচন এবং শিক্ষার্থীদের মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ নীতিমালা প্রকাশ করা হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সার্বিক নির্দেশনায় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে দেশজুড়ে চারটি স্তরে উপজেলা বা থানা, জেলা, শিক্ষা অঞ্চল এবং জাতীয় পর্যায়ে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। নীতিমালার আওতায় মাধ্যমিক ও সমমান এবং উচ্চমাধ্যমিক ও সমমান পর্যায়ের ছেলে ও মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য চারটি আলাদা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন নিবন্ধিত সকল সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। মাধ্যমিক পর্যায়ে খেলোয়াড়দের বয়স সর্বোচ্চ ১৭ বছর এবং উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১৯ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি দলে ১৬ জন খেলোয়াড় এবং প্রতিষ্ঠান মনোনীত ২ জন কর্মকর্তা (ম্যানেজার ও কোচ) সহ মোট ১৮ জন সদস্য থাকবেন। বালিকা দলের ক্ষেত্রে আবশ্যিকভাবে একজন নারী শিক্ষক রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

জাতীয় পর্যায় ও ফিকচার: জাতীয় পর্যায়ে মোট ৩২টি দল অংশগ্রহণ করবে (মাধ্যমিক পর্যায়ে বালক-বালিকা ১৬টি এবং কলেজ পর্যায়ে বালক-বালিকা ১৬টি)। ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ শিক্ষা অঞ্চল থেকে একটি করে এবং কুমিল্লা ও সিলেট শিক্ষা অঞ্চল থেকে যৌথভাবে একটি দল নির্বাচিত হয়ে জাতীয় পর্যায়ে খেলার সুযোগ পাবে। নকআউট পদ্ধতিতে ৯০ মিনিটের খেলায় অমীমাংসিত সংক্ষিপ্ত ফলাফল এলে সরাসরি টাইব্রেকারের মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারিত হবে। 

কোনো প্রতিষ্ঠান অনিয়ম বা অবৈধ/বহিরাগত খেলোয়াড় অন্তর্ভুক্ত করলে শিক্ষার্থী, শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাতানো খেলায় জড়িত থাকা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট দলকে টুর্নামেন্ট থেকে ২ বছরের জন্য বহিষ্কার করা যাবে। এছাড়া রেফারি বা সহকারী রেফারিকে লাঞ্ছিত করলে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়কে প্রতিযোগিতা থেকে আজীবন বহিষ্কার এবং আপিল উপ-কমিটির মাধ্যমে অনিয়মের বিচার নিশ্চিত করার স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

পুরস্কার হিসেবে জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন ও রানার-আপ দলকে ট্রফি, মেডেল, সার্টিফিকেট ও নগদ আর্থিক পুরস্কারের পাশাপাশি সেরা খেলোয়াড়, সেরা গোলরক্ষক ও সর্বোচ্চ গোলদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে। 

দেখুন নীতিমালা

শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ: শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শ…
  • ২৮ জুলাই ২০২৬
সমাজসেবা অধিদফতরে প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে লিফটে আটকা পড়া ৭ শিক্…
  • ২৮ জুলাই ২০২৬
ট্রেইনি জোনাল ম্যানেজার নিয়োগে বড় বিজ্ঞপ্তি আরএফএল গ্রুপে, …
  • ২৮ জুলাই ২০২৬
উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ নিয়ে নর্দান ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার অনুষ…
  • ২৮ জুলাই ২০২৬
ডুয়েটের নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. রুমা
  • ২৮ জুলাই ২০২৬
অডিট আপত্তির মুখে পড়া অধ্যক্ষকেই ডিআইএর শীর্ষ পদে বসাল মন্ত…
  • ২৮ জুলাই ২০২৬