মাউশি © ফাইল ছবি
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির তথ্য ভ্যালিডেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী সপ্তাহের শেষ দিকে বদলি আবেদন শুরুর অনুমোদন চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হতে পারে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একটি সূত্র জানিয়েছে, সারা দেশের অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য মূল সার্ভারে জমা হয়েছে। তবে এখনো কিছু প্রতিষ্ঠানের তথ্য আসা বাকি রয়েছে। তথ্য না দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।
সূত্রের তথ্য বলছে, সফটওয়্যারে যে প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য এসেছে সেগুলো ভ্যালিডেশন শুরু হয়েছে। এ কার্যক্রম শেষ করতে তিন থেকে চার কার্যদিবস দরকার হবে। এরপর আগামী সপ্তাহের শেষ বদলি আবেদন শুরুর অনুমতি চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হতে পারে।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে মাউশির এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘ভ্যালিডেশন শেষ হলে আমাদের মহাপরিচালকের স্বাক্ষরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি চাওয়া হবে। মন্ত্রণালয় যত দ্রুত অনুমতি দেবে, তত দ্রুত শিক্ষকদের বদলি আবেদনগ্রহণ শুরু হবে।’
গত ২১ জুন মাউশি পরিচালক (মাধ্যমিক) মো. সাখাওয়াত হোসেন খানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বদলির তথ্য দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬ (সংশোধিত)’ অনুযায়ী টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের কারিগরি সহায়তায় শিক্ষক-কর্মচারী বদলির জন্য প্রস্তুত করা সফটওয়্যারের মাধ্যমে মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান ছিল।
তবে সফটওয়্যারের কারিগরি সীমাবদ্ধতার কারণে হঠাৎ সার্ভার শাটডাউন হয়ে যাওয়ায় তথ্য ও ডেটা সংগ্রহ কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হয়।
পরে সফটওয়্যারের কারিগরি সমস্যা সমাধান হওয়ায় যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো তথ্য বা ডেটা ইনপুট দিতে পারেনি, সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইনপুট করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অনলাইনশিক্ষা কোর্স
নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, স্কুলপর্যায়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের তথ্য ইনপুট, ভেরিফিকেশন ও চূড়ান্ত অনুমোদনের শেষ সময় ২৫ জুন ২০২৬। উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের জন্য সময়সীমা ৫ জুলাই এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের জন্য ১৫ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে কলেজ পর্যায়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের তথ্য ইনপুট, ভেরিফিকেশন ও চূড়ান্ত অনুমোদনের শেষ সময়ও ২৫ জুন। আঞ্চলিক উপ-পরিচালকের (কলেজ) জন্য ৫ জুলাই এবং আঞ্চলিক পরিচালকদের জন্য ১৫ জুলাই পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। গতকাল সেই সময়সীমা শেষ হয়েছে।