মাউশি © ফাইল ছবি
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি সফটওয়্যার তৈরির চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের মধ্যে এ চুক্তি সম্পন্ন হয়।
মাউশির একটি সূত্র জানিয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি সফটওয়্যার তৈরি হলেও সংশোধিত নীতিমালা জারি হয়নি। নীতিমালা জারি না হওয়া পর্যন্ত বদলি সফটওয়্যার তৈরির কার্যক্রম শুরু করা যাবে না। এজন্য আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। নীতিমালা জারির পর সফটওয়্যারর তৈরি কা শুরু হবে।
এদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সংশোধিত বদলি নীতিমালায় সর্বজনীন শব্দটি থাকছে না। এর পরিবর্তে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি উল্লেখ থাকবে। এর ফলে ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের সবাই বদলির সুযোগ পাবেন। তবে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা বদলির সুযোগ পাচ্ছেন না।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রকাশিত হতে যাওয়া বদলি নীতিমালায় সর্বজনীন শব্দটি থাকছে না। ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি’ এই কথাটি উল্লেখ থাকবে। এর ফলে একজন শিক্ষক কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ পেয়ে থাকুক কিংবা এনটিআরসিএর সুপারিশে নিয়োগ পাক; এমপিওভুক্ত হলেই তিনি বদলির আওতায় আসতে পারবেন।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এমপিওভুক্ত সব শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন। সেভাবেই নীতিমালা সংশোধন করা হয়েছে। এটি অনুমোদনের জন্য ফাইল তোলা হয়েছে। শিগগিরই সংশোধিত নীতিমালা জারি হবে।’
জানা গেছে, এনটিআরসিএর সুপারিশে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের আগে বদলির কোনো সুযোগ ছিল না। প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করে তারা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের সুযোগ পেতেন। প্রথম থেকে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি পর্যন্ত ইনডেক্সধারী শিক্ষকরা এই সুযোগ পেলেও চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের আবেদন করার সুযোগ বন্ধ করে দেয়।
পরবর্তীতে শিক্ষকদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বদলি চালুর উদ্যোগ নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এজন্য একটি বদলি নীতিমালাও প্রণয়ন করা হয়। তবে শিক্ষকদের এক পক্ষের রিট, সফটওয়্যার প্রস্তুত না হওয়া, নীতিমালা সংশোধনসহ একাধিক কারণে এখনো বদলি কার্যক্রম শুরু হয়নি। এ অবস্থায় হতাশা ব্যক্ত করেছেন শিক্ষকরা।