জানুয়ারি মাসের বেতনের প্রস্তাব এখনো মন্ত্রণালয়ে পাঠায়নি মাউশি

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৫:০৩ PM , আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৫, ০৩:৪৭ PM
মাউশি ও সরকারি লোগো

মাউশি ও সরকারি লোগো © ফাইল ছবি

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জানুয়ারি মাসের বেতন-ভাতা ছাড়ের প্রস্তাব এখনো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়নি। এর ফলে শিক্ষক-কর্মচারীদের জানুয়ারি মাসের বেতন কবে ব্যাংকে পাঠানো হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছুই বলতে পারছেন না সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানা গেছে।

মাউশি সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার বা ইএফটির মাধ্যমে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও অনেকগুলো কাজ এখনো অ্যানালগ পদ্ধতিতে করা হচ্ছে। এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কতজন শিক্ষক-কর্মচারী ইএফটিতে বেতন পাবেন, সেই তথ্য প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির অনুমোদনের মাধ্যমে পাঠাতে হচ্ছে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো জানুয়ারি মাসের বেতনের তথ্য মাউশির ইএমআইএস সেলে পাঠায়নি। ফলে মাউশিও বেতনের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠায়নি। 

এ বিষয়ে মাউশির ফিন্যান্স এন্ড প্রকিউরমেন্ট উইংয়ের পরিচালক গোপীনাথ পাল বলেন, ‘অনেকগুলো সমস্যার কারণে এখনো শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আমাদের এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেল কাজ করছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে সব কার্য সম্পন্ন করে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো সম্ভব হবে।’

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব (বাজেট) লিউজা-উল-জান্নাহ দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের জানুয়ারি মাসের বেতন-ভাতার প্রস্তাব এখনো পাইনি। প্রস্তাবনা পাওয়ার দ্রুত সময়ের মধ্যে তা অনুমোদন করা হবে।’

মাউশি থেকে প্রস্তাব পাঠানোর কতদিনের মধ্যে বেতন ছাড় হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘এটি নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। কেননা মাউশি থেকে প্রস্তাব পাঠানোর পর আমাদের মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার কাছে বেতন ছাড়ের অনুমোদন নিতে হয়। তবে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ছাড়ের কাজ করে থাকি। কখনো কখনো এই কাজ একদিনের মধ্যে সম্পন্ন হয়ে যায়। আবার কোনো কর্মকর্তা অনুপস্থিত থাকলে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কয়েকদিন সময় লেগে যায়।’

জানা গেছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ইএফটির মাধ্যমে বেতন-ভাতা পান। তবে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সরকারি কোষাগার থেকে ছাড় হলেও তা রাষ্ট্রায়ত্ত আটটি ব্যাংকের মাধ্যমে ‘অ্যানালগ’ পদ্ধতিতে ছাড় হয়। এই অর্থ তুলতে শিক্ষকদের নানা ভোগান্তিতে পড়তে হতো।

ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে বেতন-ভাতা ছাড়ের জন্য কয়েক পর্যায়ে অনুমোদনসহ সংশ্লিষ্ট কাজে অনেক ক্ষেত্রেই এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পেতে দেরি হয়। অনেক সময় পরের মাসের ১০ তারিখের পরও আগের মাসের বেতন-ভাতা জোটে।

এ পরিপ্রেক্ষিতে গত ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ইএফটিতে বেসরকারি শিক্ষকদের এমপিওর বেতন-ভাতা দেওয়ার ঘোষণা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের ২০৯ জন শিক্ষক-কর্মচারীর অক্টোবর মাসের এমপিও ইএফটিতে ছাড় হয়। পরবর্তী সময়ে গত ১ জানুয়ারি ১ লাখ ৮৯ হাজার শিক্ষক ইএফটির মাধ্যমে বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা পেয়েছেন। দ্বিতীয় ধাপে ৬৭ হাজার এবং তৃতীয় ধাপে ৮৪ হাজার ৭০০ শিক্ষক-কর্মচারী ইএফটির মাধ্যমে ডিসেম্বর-২০২৪ মাসের বেতন-ভাতা পেয়েছেন। এখন চতুর্থ ধাপে ৮ হাজারের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী বেতন পাবেন।

একজনের স্থলে অন্য প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা, ভুলের জন্য ক্ষমা …
  • ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা
  • ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
বিকাশ নগদ ও ব্যাংক—কোন মাধ্যমে কত লাখ পেলেন ব্যারিস্টার ফুয়…
  • ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
আজ আমি জিতে গেছি, কিন্তু হাদি ভাই নেই: শান্তা আক্তার
  • ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
জবির একমাত্র হল সংসদে ১৩ পদের মধ্যে শীর্ষ ৩ পদসহ ১০টিতেই জয়…
  • ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
‘বাদ’ নয়, ‘বিশ্রামে’ সাইফ, জানালেন নাসির
  • ০৮ জানুয়ারি ২০২৬