ঢাবি সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি
© সংগৃহীত
সাধারণত বিদেশি মেহমান আসলে রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করে, এইটাই নিয়ম। কিছুদিন আগে, রোহিঙ্গা শিশুদের দেখতে দেশে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া আসলো। আমি আমার স্ত্রীকে বললাম, আগামীকাল প্রিয়াঙ্কা বঙ্গভবনে আসবে। এই কথা শোনার পর আমার স্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে ফোন দিয়ে বললো, প্রিয়াঙ্কা বঙ্গভবনে আসার কী দরকার? এরপর প্রিয়াঙ্কার বঙ্গভবনে আসা ক্যান্সেল হয়ে গেলো। আজ শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫১তম সমাবর্তনে প্রধান অতিথির বক্তব্যের সময় এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
এসময় তিনি আক্ষেপ করে বলেন, পরে শুনলাম প্রিয়াঙ্কা নাকি আমেরিকা গিয়ে তার চেয়ে দশ-বারো বছরের ছোট নিক নামের এক ছেলেকে বিয়ে করেছে। যদি প্রিয়াঙ্কা তার চেয়ে দশ-বারো বছরের ছোট ছেলেকে বিয়ে করতে পারে, তাহলে আমি তো তার ত্রিশ-পয়ত্রিশ বছরের বড়ই ছিলাম। সমস্যা তো ছিলো না। কিছু হলেও তো হতে পারতো। কিন্তু ষড়যন্ত্রের কারণে তা হলো না। এসময় পুরো অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত সবাই হেসে উঠে।
এরপর রাষ্ট্রপতি বলেন, আমার স্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে ফোন দিয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। দেশে পুরুষ নির্যাতনের বিরুদ্ধে একটা আইন হওয়া দরকার। প্রধানমন্ত্রীকেও বলেছিলাম। ওনি বলেছিলেন, আচ্ছা দেখা যাবে। কিন্তু এরপর ছয় বছর পার হয়ে গেছে।