নোবিপ্রবিতে ১১ বছরের অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্তে কমিটি গঠন © টিডিসি সম্পাদিত
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) গত জুন ২০১৫ থেকে মে ২০২৬ মেয়াদে নিয়োগ, পদোন্নয়ন, আর্থিক এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সংগঠিত সকল প্রকার অনিয়ম, দুর্নীতি ও বৈষম্য যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের ৭০তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই কমিটি গঠন করা হয়।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, জুন ২০১৫ থেকে মে ২০২৬ সালের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ, পদোন্নয়ন, আর্থিক এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সংগঠিত বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও বৈষম্য যাচাই-বাছাইপূর্বক প্রতিবেদন প্রদানের জন্য এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হলো।
গঠিত কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে আহ্বায়ক এবং রেজিস্ট্রারকে সদস্য-সচিব করা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— নোবিপ্রবির ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো: হাছান উদ্দিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং বিভাগের অধ্যাপক আল-আমিন, নোয়াখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও নোবিপ্রবি রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) একজন উপযুক্ত প্রতিনিধি।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গঠিত এই কমিটি উল্লিখিত সময়ের সকল নিয়োগ, আর্থিক লেনদেন ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত খতিয়ে দেখে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে।
কমিটি গঠনের সত্যতা নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) তামজিদ হোছাইন চৌধুরী বলেন, ‘রিজেন্ট বোর্ডের ৭০তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিগত সময়ে ঘটে যাওয়া সার্বিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও বৈষম্যের অভিযোগসমূহ নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখতে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’