মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড

৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নসহ ৬ দফা দাবিতে স্মারকলিপি

০৩ অক্টোবর ২০১৮, ১২:২২ PM

সরকারের গঠিত কমিটির কোটা বাতিলের সুপারিশের সিদ্ধান্ত বাতিলসহ ৬ দফা দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের একটি সংগঠন। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাষ্কর্যের পাদদেশে সমাবেশ করে স্মারকলিপি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের দিকে যান মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কমান্ডের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতৃবৃন্দ।

মিছিলটি শাহবাগ পর্যন্ত পৌঁছালে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। পরে সেখান থেকে পাঁচজনের একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ ওয়াহিদা মল্লিকের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন। এদিকে সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দীন ও অধ্যাপক ড. আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ।

কোটা পর্যালোচনার লক্ষ্যে যে কমিটি করা হয়েছে তাদের অবস্থান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে বলে দাবি করেন অধ্যাপক জামাল উদ্দীন। তিনি বলেন, সচিব কমিটি রিপোর্ট দিতে দুই-তিন মাস সময় নিয়েছে। কারো সাথে কোনো ধরনের আলাপ না করেই হঠাৎ করে কোটা থাকবে না বলে ঘোষণা দিলো। সচিব কমিটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এদের নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সরকার ক্ষমতায় আসতে পারে না। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের অপসারণ করতে হবে। স্বাধীনতা বিরোধীরা ষড়যন্ত্রে মেতেছে, তাদের প্রতিহত না করে আমরা ঘরে ফিরবো না। মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান হয়, এমন কিছু এই সরকার করবে না বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

এদিকে কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত আবেগবশত ও সংবিধান সম্মত নয় বলে দাবি করেন অধ্যাপক ড. আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক কোটা আন্দোলনের মূল টার্গেট ও মাথাব্যথা ছিল মুক্তিযোদ্ধা কোটা। রাষ্ট্র যদি মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান দিতে চায়, তাহলে সম্মানের সাথেই সম্মান দিতে হবে। সংবিধানের আলোকে কোটার সমস্যাটা সমাধান করা সম্ভব। অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যবস্থা রেখে সংবিধানের আলোকে কোটা ব্যবস্থার যুক্তিসঙ্গত সংস্কার করা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক আল মামুন বলেন, কোটা পর্যালোচনা কমিটির মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ সব কোটা বাতিলের সুপারিশ দেখে বোঝা যায়- কোন ধরনের চেতনার মানুষেরা প্রশাসনে বসে আছে।

সমাবেশ থেকে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো- সামাজিক মাধ্যমে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কটূক্তিকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে বিচার করা; মন্ত্রীপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত কোটা পর্যালোচনা কমিটির প্রতিবেদন অবিলম্বে বাতিল করা; ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিসিএসসহ সব চাকরির পরীক্ষায় প্রিলিমিনারি থেকে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাস্তবায়ন করা; মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও তাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয়া; স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার ও এদের বংশধরদের চিহ্নিত করে সরকারি সব চাকরি থেকে বহিষ্কার করে তাদের নাগরিকত্ব বাতিল ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রের অনুকূলে ফেরত নেয়া; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় শাস্তির ব্যবস্থা করা।

 

বিসিএল-এনসিএলে ফ্র্যাঞ্চাইজি চান তামিম, ওয়ালটনকে টিম হওয়ার …
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
পাসপোর্ট অফিসের ভেতরে-বাইরে দালালদের দৌরাত্ম্য
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
টাকা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার অভিযোগ, দুই সাংবাদিক বহিষ্কার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
ধর্মীয় কটূক্তিমূলক পোস্ট শেয়ার, বুটেক্সে শিক্ষার্থীকে হল থ…
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
‘ভুয়া ফোনকলের’ অভিযোগ নিয়ে যা বললেন এমপি জসিম
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
বাঙলা কলেজের অধ্যক্ষ নিয়োগের এক ঘণ্টা পরই বাতিল
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬