পরিবারের সাথে নাজমুল হুসাইন (ডান থেকে দ্বিতীয়)। © টিডিসি ফটো
টাকার অভাবে দিনমজুর বাবার মেধাবী সন্তান নাজমুল হুসাইনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিতে অনিশ্চিয়তা দেখা দিয়েছে। ‘খ’ ইউনিটের পরিক্ষায় মেধা তালিকায় ৪৭৬ তম হয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েও অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে তার।
প্রাইভেট টিউশনি আর দিনমজুরি করে বাবার সাথে সংসারের খরচ বহন করতে হতো নাজমুলকে। তারপরও থেমে যায়নি সে। কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার হালসা ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় ডান জিপিএ-৫।
নাজমুল জানান, অনেক কষ্ট করে টাকা জোগাড় করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দেন। মনোবল ছিল মেধা তালিকায় তার নাম থাকবে। বাস্তবেও তাই হয়েছে। নাজমুলের ইচ্ছা ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়ালেখা করা। তবে শেষ পর্যন্ত বিশ্বিবিদ্যালয়ে ভর্তি এবং পড়ালেখা চালিয়ে যেতে পারবে কিনা সেটা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় দেখা দিয়েছে।
মিরপুর উপজেলার নিভৃত পল্লী কুর্শা ইউনিয়নের মাজিহাট গ্রামের হতদরিদ্র দিনমজুর আজিজ হোসেন ও নাসিমা খাতুনের দুই ছেলে মেয়ের মধ্যে নাজমুল বড় । আজিজ হোসেনের নিজের কোনো জমি নেই। সহায় সম্বল বলতে দু’কাঠা জমির ওপর নির্মিত টিনের কুঁড়ে ঘরটি। নাজমুলের মা নাসিমা খাতুনও দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। নিয়মিত ওষুধ খেতে হয়। ছোট বোন আর্জিনা খাতুন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে নাজমুলের ৭ থেকে ৮ হাজার টাকার প্রয়োজন হবে। যা বহণ করার সামর্থ নেই তার, কিংবা পরিবারের। তাই মানবিক সাহয্য করে নাজমুলকে ঢাবিতে ভর্তি হতে সাহায্য করার আবেদন তার পরিবারের। সাহায্য করার ঠিকানা- (নাজমুল- 01992692329 )