শিক্ষার্থীকে মেরে পুলিশে দিল ছাত্রলীগ; ছাত্রদল করার স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা

০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৯:৪১ PM
মারধরকারী ছাত্রলীগ নেতা  কাউসার আল আমিন

মারধরকারী ছাত্রলীগ নেতা কাউসার আল আমিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সান্ধ্যকালীন কোর্সের এক ছাত্রকে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরধরে তাকে মারধর করা হয়েছে বলে ছাত্রলীগ এক নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার দিবাগত রাত ৯টা থেকে ১টা পর্যন্ত আহম্মেদ উল্লাহ সাদ্দাম নামে ওই শিক্ষার্থীকে মারধর করা হয় এক ছাত্রলীগ নেতার নেতৃত্বে। পরে তাকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়।

জানা গেছে, বুধবার রাত ৯টার দিকে সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউট থেকে ক্লাস করে বের হয় আহমেদ উল্লাহ সাদ্দাম। সেখান থেকে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় সলিমুল্লাহ মুসলিম হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক কাউসার আল আমিনসহ আরও কয়েকজন ধরে নিয়ে যায়। পরে ঢাকা কলেজের পুকুর পাড়ে নিয়ে মারধর করা হয়। মারধরের এক পর্যায়ে তাকে গাঁজা ও ফেন্সিডিল নিয়ে ঘুরে বলে স্বীকারোক্তি দিতে বলা হয়। কিন্তু সে স্বীকারোক্তি না দেওয়ায় আরও মারধর করা হয়। এবং তার বাসা থেকে এক লাখ টাকা নিয়ে ওই ছাত্রলীগ নেতাদের দিতে বলা হয়। সে টাকা দিতে অস্বীকার করায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কয়েক দফা মারধরের পর সে ছাত্রদল করে এই মর্মে স্বীকারোক্তি আদায় করে তাকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়। 

এদিকে জানা গেছে, মারধরের শিকার আহমেদ উল্লাহ সাদ্দাম ও ছাত্রলীগ নেতা কাউসার আল আমিন উভয়ের বাসা পাবনা জেলাতে। কাউসার আল আমিনের বাবা মুক্তিযোদ্ধা। তার কয়েকজন ভাইবোন প্রাইমারি স্কুলে চাকুরি করে। আহমেদ উল্লাহ সাদ্দাম তার ফেসবুকে কোটার বিপক্ষে লেখালেখি করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে কাউসার তাকে মারধর করে।

মারধরের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত কাওসার আল আমিন অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ওই রকম কোনো কিছু হয়নি। আর এ বিষয়টার কোনো কিছু আমি জানিও না। তবে তিনি সরাসরি ঘটনার বিস্তারিত জানাবেন বলেও জানান।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বলেন, তাকে পুলিশে দেয়া হয়েছে কিছু তথ্য জানার জন্য। কি তথ্য জানার জন্য এমন প্রশ্নের জবাবে প্রক্টর বলেন, জিজ্ঞাসাবাদ করছে। জিজ্ঞাসাবাদ করে আমাকে জানাবে কেন ওকে পুলিশে দেয়া হয়েছে এবং সে কি করেছে।

পুলিশে সোপর্দের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহবাগ থানার তদন্ত কর্মকর্তা জাফরআলী বিশ্বাস জানান, ওই ছাত্র পুলিশের কাছে আছে। তার ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। কেন তাদের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কেউ বলে বিএনপি করে, কেউ বলে জামায়াত করে’। এ বিষয়ে তারা তদন্ত করে দেখছেন বলে জানান তিনি।

বিসিএল-এনসিএলে ফ্র্যাঞ্চাইজি চান তামিম, ওয়ালটনকে টিম হওয়ার …
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
পাসপোর্ট অফিসের ভেতরে-বাইরে দালালদের দৌরাত্ম্য
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
টাকা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার অভিযোগ, দুই সাংবাদিক বহিষ্কার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
ধর্মীয় কটূক্তিমূলক পোস্ট শেয়ার, বুটেক্সে শিক্ষার্থীকে হল থ…
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
‘ভুয়া ফোনকলের’ অভিযোগ নিয়ে যা বললেন এমপি জসিম
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
বাঙলা কলেজের অধ্যক্ষ নিয়োগের এক ঘণ্টা পরই বাতিল
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬