বগুড়ায় সম্পত্তির ভাগ দাবি করায় এক স্কুল শিক্ষিকার মাথার চুল কেটে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষিকা।
বৃহস্পতিবার (২০ মে) সকালে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার বালুয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত ভাই-ভাবীর নাম গোলাম রাব্বানী ও পপি বেগম। গোলাম রাব্বানী কাতলাহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
ভুক্তভোগী স্কুল শিক্ষিকা জানান, তার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। ২০১৭ সালে তার বাবা মারা যাওয়ার পর তার বড় ভাই গোলাম রাব্বানী বাড়িতে এসে ওঠেন। এর পর ছোট ভাই গোলাম রসুলের সাথে মিলে ৪-৫ বিঘা জমি ভোগ করতে থাকেন। একই সাথে ১১ শতাংশ বাড়িও মৌখিকভাবে ভাগ বাটোয়ারা করে নেন। তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে নানা উদ্যোগ নেন।
তিনি আরও বলেন, আজ সকালে টিউবওয়েলে তিনি থালা-বাটি পরিস্কার করছিলেন। এ সময় তার ভাই তাকে বাড়ি থেকে চলে যেতে বলেন। তখন তিনি বলেন সম্পত্তির ভাগ দিলে তিনি চলে যাবেন। তখন তার ভাই ও ভাবি মিলে তাকে মারতে থাকেন। কাচি দিয়ে তার গলায় আঘাত করেন। এক পর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দেন। তিনি পুলিশি সহায়তা নিতে চাইলে তাকে ঘরে বন্দী করে রাখা হয়। পরে তিনি পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল দিলে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম বলেন, ভিকটিমের ঘরে কাটা চুল পাওয়া গেছে। আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।