পরিবহন চালকদের মারধরে ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু

মওদুদ আহমেদ
মওদুদ আহমেদ  © সংগৃহীত

সিলেট নগরীর বন্দরবাজারে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকদের বেধড়ক মারধরে আহত ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যুর হয়েছে। এ ঘটনায় আজ রবিবার বিকেলে নিহতের বড়ভাই আব্দুল ওয়াদুদ বাদী হয়ে সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার আশরাফ উল্লাহ তাহের।

নিহত মওদুদ আহমেদ ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার টেংগুরিপাড়া গ্রামের মো. আব্দুল ওয়াহেদের ছেলে। তিনি সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার অগ্রণী ব্যাংক, হরিপুর গ্যাস ফিল্ড শাখার অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মামলার প্রধান আসামি নোমান হাছানুরসহ জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা আশরাফ উল্লাহ তাহের।

পুলিশ জানায়, শনিবার বিকেলে জৈন্তাপুরের হরিপুর থেকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় নগরীর বন্দরবাজারে যান ব্যাংক কর্মকর্তা মওদুদ। সন্ধ্যায় কালেক্টরেট জামে মসজিদের সামনে আসার পর সিএনজি অটোরিকশা চালক নোমানের সাথে ভাড়া নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয় মওদুদের। একপর্যায়ে নোমানসহ আরও কয়েকজন সিএনজি অটোরিকশা চালক মওদুদকে বেধড়ক মারধর করে।

এসময় মওদুদ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যান মুরাদ আহমেদ ও ইউনুছ আলী নামে দুই ব্যক্তি। পরে রাত পৌনে ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মওদুদের।

ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে হাজির হন বন্দরবাজার ফাঁড়ির আইসি এসআই মোস্তাফিজুর রহমান। কিন্তু ততক্ষণে নোমান হাছনুসহ অন্য ঘাতকেরা পালিয়ে যায়। পুলিশ ওসমানী হাসপাতালে পৌঁছে সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

কোতোয়ালি থানার ওসি এসএম আবু ফরহাদ জানান, পুলিশ খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে কিন্তু জড়িতরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রাথমিকভাবে একজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। অচিরেই জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।


মন্তব্য