সিমেন্টসহ আটক ১২ জন © সংগৃহীত
মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার সময় ৩৭ হাজার ৫০০ কেজি সিমেন্টসহ ১২ জনকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। এ সময় পাচারকাজে ব্যবহৃত একটি বোটও জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা সিমেন্টের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
রবিবার (১ নভেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপের উত্তর-পশ্চিমে গভীর সমুদ্র এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান।
কোস্ট গার্ডের এ কর্মকর্তা বলেন, অপারেশন ‘সার সুরক্ষা’র দায়িত্বে নিয়োজিত কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজ ও স্টেশন সেন্টমার্টিনের সমন্বয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সন্দেহজনক একটি বোটকে থামার সংকেত দেওয়া হলে সেটি সংকেত অমান্য করে পালানোর চেষ্টা করে। পরে কোস্ট গার্ডের আভিযানিক দল ধাওয়া করে গভীর সমুদ্র থেকে বোটটি আটক করে। বোটে তল্লাশি চালিয়ে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করা ৩৭ হাজার ৫০০ কেজি সিমেন্ট পাওয়া যায়। এ ঘটনায় বোটে থাকা ১২ জনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পাতাখালী গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো. বাপ্পি (৩১), মৃত মালেক সরকারের ছেলে মো. ওলিউল্লাহ (৪৫), আবুল কালাম মোল্লার ছেলে মো. আসাদুজ্জামান (২৬), নুরুল হকের ছেলে মো. জাহান আলী (২৩), আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো. বায়েজিদ (৩৬), আব্দুল জুব্বারুল্লাহর ছেলে মিরাজুল ইসলাম (৩০), মহাতাব গাজীর ছেলে মো. হাসান (৩৪), মান্নান সরদারের ছেলে মিলন (৩১) ও ছবুর সরদারের ছেলে রবিউল ইসলাম (৪৫)।
এ ছাড়া নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চরকেলাশ গ্রামের মো. খোকনের ছেলে মো. আসিফ (২৩) ও খাসের হাট গ্রামের মো. খোকনের ছেলে মো. রাজিব (২৪) এবং নোয়াখালী সদর উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের মফিজুর রহমানের ছেলে মো. বাবুল হোসেন (৩৬) রয়েছেন।
কোস্ট গার্ডের ওই কর্মকর্তা জানান, জব্দ করা সিমেন্ট, পাচারকাজে ব্যবহৃত বোট ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। চোরাচালান প্রতিরোধে কোস্ট গার্ডের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।