উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে © সংগৃহীত
পটুয়াখালীর বাউফলে জামায়াত ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের হামলায় যুবদল ও ছাত্রদলের অন্তত ১০ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় প্রায় ২০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
শনিবার (২৭ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যুবদলের এক নেতার মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা চলাকালে স্থানীয় জামায়াতকর্মী রিপতির সঙ্গে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে রিপতিকে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে রিপতির নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল শোভাযাত্রায় হামলা চালায়। এতে যুবদল ও ছাত্রদলের অন্তত ১০ জন নেতা-কর্মী আহত হন এবং প্রায় ২০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
আহতদের মধ্যে দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিকদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেলকে (৩০) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
যুবদল নেতাদের অভিযোগ, আসন্ন যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন—এমন খবর পেয়ে যুবদলের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগ বিরোধী একটি মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। শোভাযাত্রাটি বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ শেষে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছালে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী রিপতি এবং দাশপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাব্বি প্যাদার নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল অতর্কিত হামলা চালায়। এতে যুবদল-ছাত্রদলের অন্তত ১০ জন নেতা-কর্মী আহত হন এবং প্রায় ২০টি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. নাঈম আহত ১০ জনকে চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে বাউফল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সব্যসাচী দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দ্রুত হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।