প্রতীকী ছবি © সংগৃহীত
যশোর সদরের আরবপুর ইউনিয়নের সুজলপুর এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে স্থানীয় নারীদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মমতাজ বেগম (৬২) নামের এক নারীর বিরুদ্ধে। ওই নারীকে পুলিশ আটক করেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১৬ জুন) তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে মামলা হয়েছে।
মামলার বাদী খোলাডাঙা গ্রামের বাসিন্দা সাহিদা ইয়াসমিন জানান, গত ১৫ জুন দুপুরে সুজলপুর জামতলা মোড়ে মমতাজ বেগম নিজেকে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচয় দিয়ে স্থানীয় নারীদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহের চেষ্টা করেন।
তিনি দাবি করেন, ২০০ টাকা জমা দিলে ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া যাবে এবং পরবর্তী সময়ে সরকারি আর্থিক সহায়তা মিলবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করতে তিনি বিভিন্ন ফরম, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও ছবি প্রদর্শন করেন। তবে উপস্থিত এক নারীর সন্দেহ হলে বিষয়টি দ্রুত স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে তাকে আটকে রেখে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিকে খবর দেন।
খবর পেয়ে সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য ঘটনাস্থলে যান। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে জানানো হলে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মমতাজ বেগমকে হেফাজতে নেয়।
পুলিশের দাবি, তার কাছ থেকে ৮টি ভিডব্লিউবি কার্ড, মহিলা উন্নয়ন সংগঠনের বিভিন্ন ফরম, কয়েকজনের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, পাঁচ কপি রঙিন ছবি এবং নগদ ৬০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় বিশ্বাস ভঙ্গ ও প্রতারণার অভিযোগে মামলা করা হয়। মঙ্গলবার মমতাজ বেগমকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি মাসুম খান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, প্রতারণার দায়ে আটক ওই নারীর বাড়ি কেশবপুরের বিদ্যানন্দকাটি গ্রামে।