এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা আলম মিতু © সংগৃহীত
ঝালকাঠিতে অবরুদ্ধ ও মারধরের শিকার উপজেলা জামায়াতের এক নেতাকে উদ্ধার করতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেত্রী ডা. মাহমুদা আলম মিতু। গতকাল বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।
এনসিপি নেত্রী জানিয়েছেন, জামায়াত নেতাকে অবরুদ্ধ ও মারধরের ঘটনা শুনে তাকে উদ্ধার করতে গেলে নাজেহাল হতে হয় তাকে। এ ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকেই তিনি ফেসবুক লাইভে এসে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করছেন তিনি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভুক্তভোগী আইউব আলি (৫৮) কাঠালিয়া সদর উপজেলা ইউনিয়ন জামায়াতের অর্থ সম্পাদক। অভিযোগ পাওয়া যায়, তাকে অবরুদ্ধ করে ফোন ও পকেট তল্লাশি এবং মারধর করা হয়, তার কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়।
ডা. মাহমুদা আলম মিতু জানান, অবরুদ্ধ নেতার মেয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তাকে ফোন করে বিষয়টি জানান। তিনি বলেন, মেয়েটি কাঁদতে কাঁদতে বলছিল আব্বুকে মেরে ফেলবে, আপনি কোথায়?
মিতু বলেন, পরে আমি ঘটনাস্থলে যাই। বাইরে থেকে চিৎকার করলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে তাকে মারধর করা হয়েছে এবং টাকা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির এ নেত্রী অভিযোগ করেন, ওরা টাকা নিয়ে মারছিল এবং বলছিল তুই ভোটারদের টাকা দিচ্ছিস, বল। ভিডিও করবো। আমি সেখানে গেলে আমার সঙ্গে থাকা গার্ডদের গায়েও হাত তোলে।
কাঠালিয়া থানার ওসি আবু নাসের রায়হান গণমাধ্যমকে বলেন, এ ঘটনা আগেই সমাধান হয়ে গেছিলো। পরে ডা. মিতু পুনরায় গিয়ে ফেসবুক লাইভ দিয়েছেন। তবে আমরা কোন অভিযোগ পাইনি, পেলে ব্যাবস্থা নিবো।