বিভিন্ন জেলা থেকে আটক দেড় শতাধিক © টিডিসি সম্পাদিত
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ–২০২৫ এর লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ টাইপ) অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বেলা ৩টা থেকে বিকেলে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া দেশের বাকি সব জেলায় একযোগে এই পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে অংশ নিয়েছেন প্রায় ১১ লাখ চাকরিপ্রার্থী। এই নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে একাধিক জেলার বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে দেড় শতাধিক পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি আটক করা হয়েছে গাইবান্ধা জেলায়। অর্ধশতাধিক পরীক্ষার্থীকে জেলার বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে আটক করা হয়েছে।
যদিও পরীক্ষা শুরুর আগে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। তারপরও এই নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে দেড় শতাধিক পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। এতে এই চক্রের কয়েকজন সদস্যও রয়েছেন। জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-
জানা গেছে, গাইবান্ধা ছাড়াও কুড়িগ্রাম, নওগাঁ, দিনাজপুর, ভোলা, গোপালগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও, রংপুর, পঞ্চগড়, যশোর, জামালপুর, ফেনীতে অন্তত শতাধিক পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, ব্লুটুথ ইয়ার ডিভাইসসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। তাদের কারাদণ্ড, জরিমানা ও বহিষ্কার করা হয়েছে।
গাইবান্ধায় ৪৮
গাইবান্ধাতেও ৪৩টি কেন্দ্রে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ২৪টি কেন্দ্র থেকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে নারীসহ মোট ৪৮ জন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়। সবচেয়ে বেশি ১৩ জন পরীক্ষার্থী আটক হয়েছেন গাইবান্ধা সদর উপজেলার কুপতলা আবদুল কাইয়ূম হাইস্কুল কেন্দ্র থেকে। পরীক্ষা চলাকালে জেলার বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের সদস্যরা। এ সময় তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, ব্লুটুথ ইয়ার ডিভাইসসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
ভোলায় ১৯
পরীক্ষায় জালিয়াতি ও নকলের অভিযোগে মাস্টার কার্ড ও ভিআইপি ডিভাইসসহ ভোলা জেলার বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ৬ জন এবং মোবাইল ফোন ও নকলসহ আরও ১৩ জনকে আটক করা হয়েছে। ভোলা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ অভিযানে পরীক্ষায় জালিয়াতি ও নকলের অভিযোগে মাস্টার কার্ড ও ভিআইপি ডিভাইসসহ ৬ জন এবং মোবাইল ফোন ও নকলসহ আরও ১৩ জনকে আটক করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ১৯ জনকে আটক করা হলেও তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নওগাঁয় ১৮
নওগাঁয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্যসহ ১৮ জনকে আটক জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) ও পুলিশের যৌথ টিম। শহরের নীলসাগর হোটেল এবং পোরশা রেস্ট হাউজে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে নওগাঁ পুলিশ সুপারের কার্যালায়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
দিনাজপুরে ১৬
পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে দিনাজপুরে ডিভাইসসহ ১৬ জন পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ ও প্রশাসন। বিকেলে জেলার বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দিনাজপুর জেলার মোট ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্র থেকে এসব পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আটককৃতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। বর্তমানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। যেসব কেন্দ্র থেকে ডিভাইসসহ পরীক্ষার্থী আটক করা হয়েছে সেগুলো হলো— ক্রিসেন্ট কিন্ডার গার্ডেন গার্লস হাই স্কুল থেকে ২ জন, দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে ১ জন, কাদের বক্স মেমোরিয়াল কলেজ (বিএম) থেকে ২ জন, দিনাজপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১ জন, দিনাজপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১ জন, দিনাজপুর সরকারি মহিলা কলেজ থেকে ১ জন, দিনাজপুর জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১ জন, দিনাজপুর মিউনিসিপাল হাই স্কুল থেকে ১ জন, দিনাজপুর নূরজাহান কামিল মাদ্রাসা থেকে ৫ জন, দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে ১ জন এবং কেরি মেমোরিয়াল হাই স্কুল থেকে ১ জন।
কুড়িগ্রামে ১১
পরীক্ষা শুরুর আগেই কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে সেচ্ছাসেবক দল নেতা ও ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ সংঘবদ্ধ প্রশ্নফাঁস চক্রের ১১ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোনসহ ডিজিটাল ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে পৃথক দুটি অভিযানে উপজেলা শহরের কাজি মার্কেটের পেছনের একটি বাসা এবং থানা এলাকা থেকে তাদের আটক করে পুলিশ। জানা গেছে, আটক সেচ্ছাসেবক দল নেতার নাম মিনারুল ইসলাম। তিনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। বাকিদের পরিচয় শুক্রবার বিকাল পৌনে ৪টা পর্যন্ত নিশ্চিত করেনি পুলিশ।
পুলিশ জানায়, পরীক্ষা শুরুর আগে দুপুরে উপজেলার শহরের কাজি মার্কেটের পেছনের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে সেচ্ছাসেবক দল নেতা মিনারুল ইসলামসহ ৬ জনকে আটক করা হয়। তারা প্রশ্নপত্রের ফটোকপি নিয়ে উত্তরপত্র প্রস্তুত করছিল। এদের মধ্যে মিনারুলসহ চারজন চক্রের সদস্য বলে ধারণা করছে পুলিশ। এছাড়াও পৃথক অভিযানে থানার সামনে একটি গাড়ির গতিরোধ করে চালকসহ আরো ৫ জনকে আটক করা হয়। তারা প্রশ্নপত্রের ফটোকপি ও ডিভাইসসহ সটকে পড়ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদের মধ্যে প্রকৃত ও ভুয়া পরীক্ষার্থী রয়েছে। পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি বলেন, ‘আটকদের মধ্যে পরীক্ষার্থী এবং প্রক্সি পরীক্ষার্থী রয়েছে। আটক সকলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
গোপালগঞ্জে ছয়
গোপালগঞ্জে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ছয় পরীক্ষার্থীকে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালে গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজ ও গোপালগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের কক্ষগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের সন্দেহ হলে তিন পরীক্ষার্থীকে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাদের দেহ তল্লাশি চালিয়ে অবৈধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। তাদের এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিন পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। আটক পরীক্ষার্থীরা হলেন গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার পারুলিয়া গ্রামের সেকেন্দার আলী মোল্যার ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম, একই উপজেলার দয়াময় বিশ্বাসের মেয়ে রত্না বিশ্বাস এবং মাদারীপুর জেলার কদমবাড়ী গ্রামের সুবল রায়ের মেয়ে বিথিকা রায়। এদিকে একই দিনে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে আরও তিন পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা থেকে বহিস্কার করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
রংপুরে ৫
জালিয়াতির অভিযোগে সরঞ্জামসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এসময় গ্রেফতার ব্যক্তিদের থেকে জালিয়াতির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, পুত্র সারোয়ার ইসলাম (৩০), আল আমিন মোহাম্মদ আহাদ (৩৪), মেজবাহ হামিদুল্লাহ প্রধান (২৯), রাশেদুল ইসলাম রকি (২৮) ও জান্নাতুল ফেরদৌস বীথি (২৬)।
এসময় ১৫টি ডিভাইস, ৫টি স্মার্ট ফোন, ২টি ফিচার ফোন, ১৩টি সিম কার্ড, ৭টি ব্লু-টুথ এয়ারপড, এয়ারপডের ব্যাটারি ১৯টি, এয়ারপড প্লেসমেন্ট করার ফরসেপ, ১টি, ১০০ টাকার ফাঁকা নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ছয়টি, স্বাক্ষরিত ফাঁকা চেক দুটি এবং দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এর আগে ৮ জানুয়ারি রংপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের দুই সদস্যকে ডিজিটাল ডিভাইসসহ আটক করে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তাদেরকে দুপুরে নগরীর পুলিশ লাইন সংলগ্ন ক্যাপ্টেন ব্যাকোলজি এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
জামালপুরে চার
পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে জামালপুরে চার পরীক্ষার্থীকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার টিকাপাড়া এলাকার বাসিন্দা আমিনুর রহমান জাকির, ইসলামপুর উপজেলার সুবেরচর এলাকার বাসিন্দা আনিসুর রহমান, মাদারগঞ্জ উপজেলার তারতাপাড়া এলাকার বাসিন্দা সাবিনা আক্তার ও সালমা আক্তার। সূত্র জানায়, মেলান্দহ উপজেলার মেলান্দহ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র, মালঞ্চ আলামিন জমরিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্র ও উমর উদ্দিন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের দায়ে আমিনুর, আনিসুর ও সাবিনা নামের তিন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে তিন দিনের জেল ও ৫০ টাকা করে জরিমানা করা হয়।
যশোরে দুই
যশোর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নাজমুল হাসান ফারুক জানান, পরীক্ষা চলাকালীন ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে ইশতিয়াক আহমেদ নামক এক পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়। তাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আর যশোর ইসলামীয়া বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রক্সি দিতে এসে বেলাল হোসেন খান নামে অপর একজন আটক হয়। প্রবেশপত্রের ছবির সাথে চেহারার মিল না পাওয়ায় তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
ঠাকুরগাঁওয়ে দুই
পরীক্ষা চলাকালে ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে দুই পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে পরীক্ষায় ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে। আটক পরীক্ষার্থীরা হলেন- পীরগঞ্জ উপজেলার খটশিংগা গ্রামের আইনুল হকের মেয়ে রিপা আক্তার এবং বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার লাহিড়ী ভোটপাড়া গ্রামের শনিচরণ চন্দ্র রায়ের ছেলে নরদেব চন্দ্র।
সিরাজগঞ্জে এক
সিরাজগঞ্জ সরকারি রাশিদাজ্জোহা মহিলা কলেজ কেন্দ্র থেকে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ শিহাব রেজা নামে এক পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ।
ফেনীতে এক
মুঠোফোন নিয়ে কেন্দ্রে ঢোকায় ফেনীতে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিদ্যালয়টির সূত্র জানায়, এক পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র ছাড়া কেন্দ্রে প্রবেশ করেন। কেন্দ্রে থাকা পর্যবেক্ষকেরা ওই পরীক্ষার্থীকে তল্লাশি করলে তাঁর সঙ্গে মুঠোফোন পাওয়া যায়। পরে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়।
পঞ্চগড়ে এক
পঞ্চগড় সদর উপজেলার ডক্টর আবেদা হাফিজ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্র থেকে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ এক নারী পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। আটক পরীক্ষার্থীর নাম মোছা. রুবিনা খাতুন।