এনসিপি নেতা তৈয়বুর রহমান © সংগৃহীত ও সম্পাদিত
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাভারের সম্মুখসারির সংগঠক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাভার উপজেলার সমন্বয় কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী তৈবুর রহমানকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীর উত্তরায় এ ঘটনা ঘটে।
শনিবার দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজ অ্যাকাউন্টে বিষয়টি জানিয়ে একটি পোস্ট করেন আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা-১৯ আসনের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য যুগ্ম সমন্বয়ক দিলশানা পারুল।
তিনি তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, তৈয়বুর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাভারের ফ্রন্ট লাইনের সংগঠক, আমাদের এনসিপির সাভারের বর্তমান নেতা। আমার ঢাকা-১৯ নমিনেশন সাবমিশনের সাভারের ভোটার হিসেবে প্রস্তাবনাকারী। গতকাল নমিনেশন যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় দুপুরে আমার সাথে ছিল। আমার নমিনেশন বৈধ ঘোষণার পর সেখান থেকে সে উত্তরা চলে যায়।
তিনি বলেন, উত্তরা থেকে ডিবি পুলিশ তৈবুরকে অ্যারেস্ট করেছে। উত্তরা কোন থানায় তৈবুরের কোন খোঁজ আমরা পাচ্ছি না। অনতিবিলম্বে তৈবুরকে কোথায় আটকে রাখা হয়েছে আমাদেরকে জানতে দিতে হবে। এভাবে হাসিনা আমলের মত ডিবি পুলিশ ধরে নিয়ে যাওয়া চলতে পারে না।
এ বিষয়ে এনসিপি নেতা আমিরুল ইসলাম সাগর ফেসবুকে লেখেন, তৈবুর রহমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাভারের ফ্রন্টলাইনার। এনসিপি সাভারের বর্তমান নেতা। তৈবুর ঢাকা-১৯ নির্বাচনে এনসিপির প্রার্থীর প্রস্তাবনাকারী। গতকাল নমিনেশন যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় আমাদের সাথে ডিসি অফিসে ছিল। আমাদের প্রার্থীর নমিনেশন বৈধ ঘোষণার পর সে উত্তরা যায়।
তিনি লেখেন, রাতে জানতে পারি, উত্তরা থেকে ডিবি পুলিশ তৈবুরকে অ্যারেস্ট করেছে। এরপর থেকে ডিবি অফিসে এবং উত্তরা ও টঙ্গী থানায় যোগাযোগ করে তৈবুরের খোঁজ পায় নাই। তৈবুরকে কোথায় আটকে রাখা হয়েছে আমাদেরকে জানতে দিতে হবে এবং মুক্তি দিতে হবে। হাসিনা আমলের মত ডিবি পুলিশ ধরে নিয়ে যাওয়া চলতে পারে না।
জানতে চাইলে আমিরুল ইসলাম সাগর দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, তৈবুরকে তুলে নেওয়ার পর থেকে আমরা উত্তরার একাধিক থানায় যোগাযোগ করেছি। তারা তাকে নেয়নি বলে জানিয়েছে। ডিবিতেও যোগাযোগ করা হয়েছে। তারাও অস্বীকার করেছে।
অন্যদিকে, বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পুলিশের এ গোয়েন্দা বিভাগের (ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চ-ডিবি) একাধিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে কল দিলে সাড়া পাওয়া যায়নি।