পদত্যাগ করা এনসিপি নেতাদের একাংশ © টিডিসি সম্পাদিত
গত ১০ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রথম ধাপে ১২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এর আগে মনোনয়ন ফরম দেশের সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছিল দলটি। দেড় হাজারের বেশি প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। দলের পক্ষ থেকে তখন বলা হয়েছিল, নির্বাচনে এনসিপি এককভাবে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে এবং পরবর্তীতে বাকি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। কিন্তু ডিসেম্বরের শেষের দিকে এসে জামায়াতে ইসলামীর সাথে নির্বাচনী জোট বেধে নতুন করে আলোচনায় আসে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর গড়ে ওঠা রাজনৈতিক দলটি।
কিন্তু নির্বাচনী জোট বাধার খবর আসতে না আসতেই দলটিতে পদত্যাগের হিড়িক শুরু হয়। ২১৭ সদস্যের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা কমিটির অন্তত দেড় ডজন নেতা দল থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। সর্বশেষ আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে ফেসবুকের এক পোস্টে দলটির ফরিদপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক সৈয়দা নীলিমা দোলা পদত্যাগ করার ঘোষণা দেন।
সর্বশেষ তথ্য মতে, গত ১ সপ্তাহের ব্যবধানে এনসিপি ছেড়ে কেউ কেউ স্বতন্ত্রভাবে আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আবার কেউ কেউ নিজেকে রাজনীতি থেকে নিষ্ক্রিয় রাখছেন। এখন প্রশ্ন উঠেছে, জুলাইয়ের নেতৃত্বের শক্তির দলটির ভেতরে আসলে কী চলছে।
এনসিপি সূত্র বলছে, মূলত দুইটি কারণে পদত্যাগ করছেন নেতারা। প্রথমত, জামায়াতের সাথে জোটে যাওয়া কেন্দ্র করে সংকটের সূত্রপাত। এরমধ্যে একটি অংশ জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠন ভালোভাবে না নেওয়ায় সরে যাচ্ছেন। জামায়াতের সঙ্গে জোট করাকে চরম আদর্শবিরোধী ও রাজনৈতিকভাবে ‘আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত’ হিসাবে দেখছেন তারা।
দ্বিতীয়ত, অপর একটি অংশের প্রত্যাশা ছিল নির্বাচনে অংশ নেওয়ার। এনসিপির প্রাথমিক মনোনয়নও সংগ্রহ করেছেন তারা। তবে জোট গঠনের ফলে আসন সমাঝোতায় জায়গা না পাওয়ার ক্ষোভ থেকে দল ছাড়ছেন তারা। মনোনয়ন বঞ্চিত হচ্ছেন দলের বড় একটি অংশ, এমনটাই জানা গেছে।
জানা গেছে, সপ্তাহ খানেক আগে জামায়াত ইসলাম নেতৃত্বাধীন ৮ দলীয় জোটের সঙ্গে নির্বাচনের বিষয়টি প্রায় চূড়ান্ত হয়ে আসার পর পদত্যাগের হিড়িক শুরু হয় এনসিপিতে। শুরুতে গত ২৭ ডিসেম্বর দলটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। যদিও তার দুদিন আগে ২৫ ডিসেম্বর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে দল ছেড়েছেন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব মীর আরশাদুল হক। আসন্ন সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম–১৬ আসনে দলটির মনোনয়নও পেয়েছিলেন তিনি। তবে তিনি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
এদিকে, ২৮ ডিসেম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা-১৭ আসনে এনসিপির প্রার্থী তাজনূভা জাবীন পদত্যাগের ঘোষণা করেন। এরপর একে একে পদত্যাগ করেন দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব ও মিডিয়া সেলের প্রধান মুশফিক উস সালেহীন, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক খান মুহাম্মদ মুরসালীন, যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ, ফারহাদ আলম ভূঁইয়া, যুগ্ম সদস্য সচিব আরিফ সোহেল, কেন্দ্রীয় সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) আজাদ খান ভাসানী, আসিফ নেহাল, মীর হাবিব আল মানজুর, মারজুক আহমেদ, যুগ্ম সদস্য সচিব ওয়াহিদুজ্জামান, আল আমিন টুটুল প্রমুখ। তাছাড়া ৩০ ডিসেম্বর এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় সংগঠক ও জাতীয় যুবশক্তির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি পদত্যাগের ঘোষণা দেন। সর্বশেষ আজ বিকেলে দলটির ফরিদপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক সৈয়দা নীলিমা দোলা পতদ্যাগ করার ঘোষণা দেন।
এছাড়াও পদত্যাগের ঘোষণা না দিলেও নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন অনেকেই। তাদের মধ্যে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। নির্বাচনী সময় দলীয় কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয় থাকার কথা জানিয়েছেন আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম। নির্বাচন না করার ঘোষণা দিয়েছেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্থা শারমিন। তিনি জামায়াতের সঙ্গে আসন সমঝোতাকে ‘আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত’ বলে মন্তব্য করেছেন।
পদত্যাগের হিড়িক লেগেছে তৃণমূলেও। তাদের অনেকের পদত্যাগ ও নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়ানোর সংবাদ সামনে এসেছে। এরমধ্যে গত ২৮ ডিসেম্বর এনসিপি থেকে পদত্যাগ এবং ফেনী-৩ আসনে প্রার্থিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন দলের ফেনী জেলা আহ্বায়ক আবুল কাশেম। গাইবান্ধা-৩ আসনে এনসিপি থেকে প্রাথমিক মনোনীত প্রার্থী ও দলটির কেন্দ্রীয় সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) নাজমুল সোহাগ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দেন।
এদিকে আজ ফেসবুকের পোস্টে পদত্যাগপত্রে সৈয়দা নীলিমা দোলা লিখেছেন, আমি মনে করি, এনসিপির পক্ষে এখন আর মধ্যপন্থী রাজনীতির নতুন পথ সৃষ্টি সম্ভব নয়। এতদিন আমি এনসিপির সঙ্গে ছিলাম। কারণ আমি মনে করেছিলাম, দলটি জুলাই পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে। তবে সম্প্রতি দলটির নানা সিদ্ধান্তের পর আমার কাছে এটুকু স্পষ্ট, এই দলটি সম্পূর্ণভাবে ডানপন্থী ঘরানায় ঢুকে পড়ছে এবং সেই ধারার রাজনীতিকেই তারা পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে। জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির যে নির্বাচনকেন্দ্রিক জোট তা কোনো কৌশলগত জোট নয়, যদি হতো তাহলে এত নেতাকর্মী পদত্যাগ করত না। দলের নেতাকর্মীদের চোখে ধুলা দিয়ে এই জোট করা হয়েছে এবং মনোনয়ন দেওয়ার নাম করে তীব্র প্রতারণা করা হয়েছে।

এনসিপি লোগো
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে এনসিপির হয়ে ঢাকা-৯ আসনে লড়ার কথা ছিল তাসনিম জারার। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে জারা লিখেন, ‘এই নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ থেকে অংশগ্রহণ করব।’ ঢাকা-৯ আসনের খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদাবাসীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের এবং দেশের মানুষকে ওয়াদা করেছিলাম যে, আপনাদের জন্য ও নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ার জন্য আমি লড়ব। পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, আমি আমার সেই ওয়াদা রক্ষা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই এই নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে ঢাকা-৯ থেকে অংশগ্রহণ করব।’
দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের সাথে মুঠোফোনে আলাপে পদত্যাগ করা নেতা মুশফিক উস সালেহীন বলেন, ‘দলের মৌলিক কিছু নীতিগত বিষয়ে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে। এ কারণে পদত্যাগ করা। আমার কথা ছিল এবারের নির্বাচন এককভাবে করি, অথবা আমরা আগে যে তিনটি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে 'গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট' নামে একটি রাজনৈতিক জোট করেছি সেই জোট নিয়ে নির্বাচন করলে পুরো দেশে একটি সাংগঠনিক বিস্তার করতে পারতাম। এর মাধ্যমে আমরা দলীয় যে ভিত্তিটা পেতাম সেটার মধ্য দিয়ে পরবর্তী নির্বাচনে আমাদের একটি শক্তিশালী অবস্থান হতো।
‘‘আর দলের (নেতৃত্বে থাকা বর্তমান নেতাদের) অবস্থান এবারই উল্লেখ্যযোগ্য সংখ্যক আসন পাওয়া। আমার মত হলো, এতে স্বল্প মেয়াদে এনসিপি লাভবান হলেও দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এবার এককভাবে নির্বাচন করে নিজস্ব মধ্যপন্থী আদর্শের উপর সংগঠন দাঁড়াতো এবং সমর্থন বাড়তো। যেহেতেু এই জোটের প্রধান দল জামায়াত ইসলামী সেহেতু মধ্যপন্থী অবস্থান ধরে রাখা, সমর্থক তৈরি করার সুযোগটা সংকুচিত করে ফেলবে। কারণ এখন দলের কার্যক্রম জোটসঙ্গীদের উপর নির্ভর করে চলবে। যা দলের নিজস্ব রাজনৈতিক স্বকীয়তা নষ্ট করবে বলে আমি মনে করি।’’
পদত্যাগ করা নেতা মীর আরশাদুল হক দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, সামগ্রিক কারণে পদত্যাগ করেছি। এরমধ্যে রাজনৈতিক দল আমরা যেভাবে চিন্তা করছি, সেটা হয়নি। মধ্যপন্থার রাজনীতিতো হয়নি বরং অন্য একটা রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছে।
যদিও এনসিপি থেকে পদত্যাগের ঘটনাটি এবার নতুন নয়। এর আগে গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মেজর (অব.) আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ও কেন্দ্রীয় সদস্য মেজর (অব.) মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন পদত্যাগের ঘোষণা দেন। পদত্যাগের কারণ হিসাবে তাদের বক্তব্য ছিল, এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্বের কিছু সদস্য নিয়মিতভাবে সেনাবাহিনী ও প্রাক্তন সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করেন এবং শত্রুভাবাপন্ন অবস্থান নেন। তারা এ বিষয়ে একাধিকবার নেতৃত্বকে অবহিত করলেও কোনো সংশোধনীমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।’
পদত্যাগ করা নেতাদের নিয়ে এনসিপির অবস্থান
ডা. তাসনিম জারা ও তাজনূভা জাবীনের পদত্যাগের বিষয়ে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম গত ২৮ ডিসেম্বর দলীয় কার্যালয়ে গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘কেউ দলে থাকবে কিনা বা নির্বাচন করবে কিনা, সেটা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।’ নাহিদ ইসলামের এমন বক্তব্যের পর এনসিপি থেকে আরও ডজন খানেক নেতা পদত্যাগ করেছেন।
কেন্দ্রীয় নেতাদের পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপির নির্বাচনি মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান মাহাবুব আলম আজ শনিবার দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এখানে দুইটি বিষয় আছে। প্রথমত, আমরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি দলের অধিকাংশ সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে নিয়েছি। কেউ যদি তার ব্যক্তি মতামতকে চাপিয়ে দিতে চায়, সেটা সুন্দর না; দলের অধিকাংশের মতামতকে সম্মান দেওয়া একটা গণতান্ত্রিক দলের সৌন্দর্য্য।
‘‘আমরা বলেছি এটা আদর্শিক জোট নয়, শুধুমাত্র জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, গণভোটে ‘হাঁ’-কে জয়যুক্ত করার স্বার্থ নিয়েই জোটে যোগ দিয়েছি। এখানে আদর্শিক কোনো বিষয় নেই। আমি মনে করি ,যারা চলে গেছে তারা ভুল চিন্তা থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দ্রুতই তাদের উপলব্ধি হবে এবং ফিরে আসবে।’’
যারা পদত্যাগ করেছে তাদের ফিরিয়ে নিতে কোনো উদ্যোগ আছে কি জানতে চাইলে মাহাবুব আলম বলেন, ‘তাদের সাথে কথা বার্তা চলছে। ’
দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘পদত্যাগপত্র দিয়েছে দল পরে আলোচনা করে তাদের পদত্যাগ গ্রহণ করবে অথবা পরবর্তীতে ডেকে কথা বলবে। আমরা প্রত্যাশা করবো, আমাদের সহযোদ্ধা যারা আছে সবাই একসাথে থাকবো। ’
দলের পক্ষ থেকে যোগযোগ করা হয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে পদত্যাগ করা নেতা মুশফিক উস সালেহীন বলেন, ‘আমি নিজে থেকেই আহ্বায়কের সাথে দেখা করে পদত্যাগপত্র দিয়েছি। আমার এতটুকুই যোগাযোগ হয়েছে।’
পদত্যাগকারীরা কোথায় যাচ্ছেন?
এনসিপি থেকে পদত্যাগ করা নেতারা অন্যকোনো দলে যুক্ত হবেন, নাকি নতুন দল গড়বেন তা নিয়েও আছে আলোচনা। তবে তাদের পক্ষ থেকে এখনও কোনো স্পষ্ট বা সুনির্দিষ্ট বার্তা পাওয়া যায়নি। দলটির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে এক ভিডিও বার্তায় খান মুহাম্মদ মুরসালীন বলেন, ‘আমি এনসিপি থেকে পদত্যাগ করছি। কিন্তু রাজনীতি থেকে অবসর নিচ্ছি না। দীর্ঘ লড়াইয়ে জনতার কাতারে আবারও দাঁড়াচ্ছি। রাজপথে খুব শিগগিরই আপনাদের সকলের সঙ্গে আবারও দেখা হবে।’
অন্য কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার চিন্তা আছে কিনা, জানতে চাইলে মুশফিক উস সালেহীন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোথাও যোগ দেওয়ার চিন্তা করিনি।’
পদত্যাগ করা আরেক নেতা মীর আরশাদুল হক দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আমি এখনও কোথাও যুক্ত হইনি। তবে আমি বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছি। কারণ দেশের অবস্থা এখন ভালো না, দেশে একটা স্থিতিশীলতা দরকার। এখন বিএনপি ছাড়া আর কোনো অপশন নেই। তাই বিএনপিকে একপ্রকার সমর্থন দিচ্ছি। তবে অফিসিয়ালি এখনও যোগ দেইনি।’