আওয়ামী লীগের ৬ নেতাকর্মীকে পিটিয়ে হত্যা

০৫ আগস্ট ২০২৪, ০৭:২০ AM , আপডেট: ২৯ জুলাই ২০২৫, ১০:৫৩ AM
আওয়ামী লীগের ৬ নেতাকর্মীকে পিটিয়ে হত্যা

আওয়ামী লীগের ৬ নেতাকর্মীকে পিটিয়ে হত্যা © সংগৃহীত

নরসিংদীর মাধবদীতে এক ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যানের ছোট ভাইস আওয়ামী লীগের ৬ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে আন্দোলনকারীরা। এ ছাড়াও অনেকে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান। 

গতকাল রোববার দুপুর দেড়টার দিকে সদর উপজেলার মাধবদী পৌরসভাসংলগ্ন মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে ছয় আন্দোলনকারী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। মাধবদী থানার ওসি কামরুজ্জামান ছয়জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন– মাধবদী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি ও নরসিংদী সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনের ছোট ভাই দেলোয়ার হোসেন (৪০), মাধবদী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও চরদিঘলদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন শাহীন (৩৮), নরসিংদী জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য শ্রমিক লীগ নেতা মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া ওরফে নাতি মনির (৪২), মহিষাশূরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল জলিল (৪০), কামাল হোসেন (৩৫) ও সোহেল মিয়া (৩৮)।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দুপুর ১২টা থেকে কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন। দুপুর ১টার দিকে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সেখানে গিয়ে তাদের আন্দোলনস্থল ত্যাগ করতে বলেন; কিন্তু তারা রাজি হচ্ছিলেন না। 

পরে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে ছয়জন গুলিবিদ্ধ হন। তাদের মধ্যে সুমন মিয়া (৩৫), সোহেব (৪১) ও আল আমিনকে (২৫) নরসিংদী সদর হাসপাতাল এবং মীর জাহাঙ্গীরকে (৩০) মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

এক পর্যায়ে বিক্ষোভ থেকে লাঠিসোটা হাতে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীকে ধাওয়া দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় দলটির কয়েকজন নেতাকর্মী দৌড়ে মাধবদী বড় মসজিদে আশ্রয় নেন। আন্দোলনকারীরা তাদের ধরে এনে মসজিদের সামনেই এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত লাশগুলো মসজিদের সামনেই পড়েছিল।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী শান্তিপূর্ণভাবে মাঠে ছিলাম। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বিএনপি’র লোকজন মিলে আমাদের নেতাকর্মীদের ধাওয়া করে। পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা হিসেবে মসজিদকে বিবেচনা করা হয়। আমাদের কিছু নেতাকর্মী মসজিদে ঢুকে গেলে সেখানে ঢুকেই দুষ্কৃতকারীরা আমার ছোট ভাই দেলোয়ার, তরুণ ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন শাহিন ও জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মনিরুজ্জামান ভূঁইয়াসহ ৬ জনকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে। এটা চূড়ান্ত বর্বরতা হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: চকরিয়ায় ১৩০ কেন্দ্রে অনলাইন ক্…
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপি প্রার্থীর বক্তব্য চলাকালে ভেঙে পড়ল মঞ্চ
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানেই ইনসাফ : সাদিক কায়েম
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দায়িত্বশীল শিক্ষকতাই মানসম্মত উচ্চশিক্ষার ভিত্তি: বাউবি উপা…
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনে নিয়োগের ফল প্রক…
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাবিপ্রবিতে বাঁধনের সাধারণ সম্পাদক হলেন ছাত্রলীগ নেতা ফাতিক
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬