পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ডামেক) এর সামনে চা দোকানিকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের একাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগের সামনের চা দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ আছে ঢাবি শহীদুল্লাহ হল শাখা ছাত্রলীগের সমাজসেবা সম্পাদক মো. হেলাল উদ্দীন তাইসিন, অর্থ-বিষয়ক উপসম্পাদক ইফতেখার আহমেদ সুজন, স্কুলছাত্র-বিষয়ক উপসম্পাদক আরাফাত হোসেন অভি দোকানিকে মারধর করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীসূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত দুইটায় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতারা ঢাকা মেডিকেলের সামনে মো. হানিফের চায়ের দোকানে চা খেতে আসেন৷ দোকানের মালিক হানিফ সিগারেট শেষ হওয়ায় চানখাঁরপুল সিগারেট আনতে যান। এ সময় দোকানে থাকা হানিফের স্ত্রীর কাছে সিগারেট চায় ছাত্রলীগ নেতা সুজন। তখন দোকানে সিগারেট নেই বলে জানান হানিফের স্ত্রী।
ছাত্রলীগ নেতা হেলাল উদ্দীন তাইসিনের কাছে ওই দোকানদার দুই হাজার টাকারও বেশি আগের পাওনা থাকায় হানিফের স্ত্রী কথা প্রসঙ্গে আগের টাকা দিতে বলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। কিছুক্ষণ পর সিগারেট নিয়ে মো. হানিফ দোকানে এলে হানিফকে মারধর শুরু করেন ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা। এ সময় দোকান ভাংচুর চালায় ছাত্রলীগ নেতা সুজন ও অভি। পরে ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ঘটনাস্থলে এসে ঘটনাটি মীমাংসা করে দেন।
মারধরকারী তাইসিনের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরে ৷ তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী৷
এ বিষয়ে ঢাবি ছাত্রলীগ সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, ‘সামান্য বিষয়কে নিয়ে ভূল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হলে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে সমাধান করে দেই। আমি অভিযুক্ত দুইজনের পক্ষ থেকে দোকান ভাংচুরে এক হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে দেই। আর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে আমি সাধারণ সম্পাদকের সাথে কথা বলব।’