র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন।
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অভিযান চালিয়ে মাদক সেবন ও বিক্রির দায়ে একশ জনের অধিককে আটক করেছে র্যাব-৩। বুধবার র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিকেল থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকে।
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মাদকসেবী ও ছিনতাইকারীদের ধরতে অভিযান চালিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র্যাব)। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম ও র্যাব ৩ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এমরানুল হকের নেতৃত্বে বুধবার বিকেলে শুরু হয় অভিযান। প্রায় ৩ ঘন্টার অভিযানে র্যাবের জালে ধরা পড়ে শতাধিক মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারী।
বিশেষ করে উদ্যানের ভেতরে মন্দিরের কাছ থেকে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের পেছন দিক হয়ে শিখা চিরন্তন ও লেকের আশপাশ এলাকায় এই চক্রটির অবস্থান। উদ্যানে ঘুরতে আসা অনেককেই সর্বশান্ত হয়ে ফিরে যেতে হয় এখান থেকে।
র্যাব ৩ এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল এমরানুল হক জানান, দীর্ঘদিন ধরেই এখানে র্যাবের নজরদারি ছিল। এখানে কারা মাদক সেবন করে এবং ছিনতাই করে তাদের ওপর নজর রাখা হচ্ছিল। অনেক ভুক্তভোগী অভিযোগও করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও ঘুরতে এসে এখানে বিপদে পড়েছেন। তাই র্যাব এই অভিযান চালিয়েছে।
র্যাব-৩ এর অপারেশন অফিসার এএসপি আবু জাফর মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ জানান, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক সেবন ও বিক্রির দায়ে শতাধিককে আটক করা হয়েছে। এরপর দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে দুই বছর করে এবং ৭৬ জন মাদকসেবীকে এক থেকে তিনমাস করে কারাদণ্ড এবং বাকিদের জরিমানা করা হয়। শাহবাগ থানা সূত্রে জানা যায়, রিপোর্ট লিখার আগ পর্যন্ত আটককৃতদের এখনও থানায় হস্তান্তর করা হয়নি।
আটককৃতদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে। এবিষয়ে কথা বলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে কয়েকবার মোবাইলে কল দেয়া্ হলেও তিনি কল ধরেন নি।