বাংলাদেশ দল © সংগৃহীত
ত্রিদেশীয় সিরিজে টানা দুই ম্যাচে হেরে ফাইনালের আগেই বিদায় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের। আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়েকে শিরোপার লড়াইয়ে রেখে দেশে ফিরতে হচ্ছে টাইগারদের। বুধবার (২১ অক্টোবর) আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে দলের ব্যাটিং ব্যর্থতাকেই পরাজয়ের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়।
ম্যাচ শেষে হৃদয় বলেন, ‘আমার যেটা মনে হয়েছে… কোন কোন জায়গা বলতে চাচ্ছি না। তবে খুব ক্লিয়ার একটা জায়গা, আমরা ব্যাটাররা দুটো ম্যাচেই বাজে ব্যাটিং করেছি। যে কারণে পুরো দল সাফার করেছে।’
ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিক ব্যর্থতা থাকলেও দলের পাইপলাইনে পর্যাপ্ত খেলোয়াড় রয়েছে বলে মনে করেন হৃদয়। ঘরের মাঠে ভালো পারফরম্যান্সের বিপরীতে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের দুর্বলতা নিয়েও কথা বলেন তিনি। তার মতে, ‘একটা জায়গা নিয়ে বলতে চাচ্ছি না। ব্যাটিং ইউনিট পুরোটা একসঙ্গে ফেইল করেছে। পাইপলাইনে অবশ্যই যথেষ্ট খেলোয়াড় আছে। অ্যাওয়ে সিরিজে ভালো করতে পারছি না। হোমে যে খেলা হচ্ছে, বেশ কিছু সিরিজ বেশ ভালোভাবে জিতেছি। ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে কিছু জায়গায় উন্নতি করতে হবে। বাইরের কন্ডিশনে খেলা হলে কিছু এরিয়া আছে যেখানে উন্নতি প্রয়োজন।’
আফগানিস্তানের বিপক্ষে টানা পাঁচ ম্যাচে হার এবং জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বশেষ চার ম্যাচের তিনটিতে পরাজয়ের পরও দল নিয়ে হতাশ হতে রাজি নন হৃদয়। তিনি মনে করিয়ে দেন, এই দল নিয়েই ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তানের মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। তাই এক-দুই ম্যাচের ফল দিয়ে পুরো দলকে বিচার করতে চান না তিনি।
হৃদয় বলেন, ‘এই দল নিয়েই বড় বড় দলকে হারিয়েছি। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান– সব হোমে ছিল। এক-দুই ম্যাচ দিয়ে বলতে চাই না দলের কী হলো। দল ভালো অবস্থায়ই আছে। কিছু জায়গা চোখের সামনে, সবাই দেখতে পাচ্ছে– ব্যাটিং ইউনিট। বাইরে খেললে খুব বাজে ব্যাটিং করছি। যে কারণে পুরো দল সংগ্রাম করছে। দেশে প্রত্যেক ম্যাচেই ব্যাটাররা ভালো করেছে।’
ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণ হিসেবে দক্ষতার চেয়ে মানসিকতার সমস্যাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশের এই ডানহাতি ব্যাটার। তার মতে, পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে ভিন্ন কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া জরুরি।
এই ডানহাতি ব্যাটার, ‘সমস্যা মাইন্ডসেটে। এখানে উন্নতির দরকার আছে। প্রফেশনাল প্লেয়ার হিসেবে বাইরের কন্ডিশনে মানিয়ে নেওয়া জরুরি। অ্যাওয়েতে বেশিরভাগ ম্যাচই আমরা হেরেছি। এখানে কাজ করতে হবে।’