শূন্যরানেই আউট লিটন © টিডিসি ছবি
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দারুণ ছন্দে এগিয়ে চলা বাংলাদেশ হঠাৎই জোড়া ধাক্কা খেয়েছে। নতুন বল হাতে নিয়েই অস্ট্রেলিয়া ফিরিয়েছে বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাসকে। ফলে বড় লিডের পথে থাকা বাংলাদেশ ৮৫ ওভার শেষে ৫ উইকেটে ৩০৭ রান তুলেছে এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসের ১৯৮ রানের জবাবে লিড দাঁড়িয়েছে ১০৯ রানে।
৮০ ওভার শেষে দ্বিতীয় নতুন বল নেয় অস্ট্রেলিয়া। নতুন বল হাতে আক্রমণে ফিরেই বাংলাদেশকে চাপে ফেলে মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউড। দ্বিতীয় নতুন বলের দ্বিতীয় ওভারেই হ্যাজলউডের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শান্ত। ফলে সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
৭টি চার ও ১টি ছক্কায় ১২৬ বলে ৮৪ রান করেন শান্ত। তাঁর বিদায়ে ভাঙে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ৬৬ রানের চতুর্থ উইকেট জুটি। শান্তর আউটের পর ক্রিজে আসেন লিটন দাস।
তবে লিটনও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। মিচেল স্টার্কের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে কোনো রান না করেই ফিরে যান তিনি। নতুন বল হাতে নিয়ে অস্ট্রেলিয়া পরপর দুই উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের দারুণ ব্যাটিংয়ের ছন্দে হঠাৎই ছেদ টানে।
এর আগে চা বিরতি পর্যন্ত ম্যাচে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ ছিল বাংলাদেশের। প্রথম দিনের তিন সেশনের পর দ্বিতীয় দিনের প্রথম দুই সেশনেও অস্ট্রেলিয়াকে চাপে রাখে বাংলাদেশ। শান্ত ও মুশফিকের ব্যাটে টানা তৃতীয় উইকেটে পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটি গড়ে ওঠে।
মাত্র ৬৭ বলে ৫০ রানের জুটি গড়েন শান্ত ও মুশফিক। একপর্যায়ে ৭৮ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ২৮৬ রান। শান্ত ৭৯ ও মুশফিক ২৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। তখন বাংলাদেশের লিড দাঁড়িয়েছিল ৮৮ রানে।
এরপর ৮০ ওভার শেষ হতেই দ্বিতীয় নতুন বল নেয় অস্ট্রেলিয়া। মিচেল স্টার্কের প্রথম বলেই অল্পের জন্য বোল্ড হওয়া থেকে বেঁচে যান শান্ত। ওই ওভার থেকে বাংলাদেশ মাত্র ১ রান নিতে পারে।
পরের ওভারেই হ্যাজলউডের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে শান্তর বিদায় ঘটে। এরপর স্টার্কের বলে লিটনও ফিরে গেলে ৮৫ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ৩০৭ রান। ক্রিজে আছেন মুশফিকুর রহিম, তাঁর সঙ্গে নতুন ব্যাটার হিসেবে যোগ দিয়েছেন। বাংলাদেশের লিড এখন শতরান ছাড়িয়েছে।