ঝুঁকে পিচ ছুঁয়ে দেখলেন রুবেল হোসেন © সংগৃহীত
সর্বশেষ ২০২১ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেছিলেন রুবেল হোসেন। এরপর দীর্ঘ ৪ বছর জাতীয় দলে আর সুযোগ পাননি। অবশেষে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানান তারকা এই পেসার। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডে শুরুর আগে তাকে সংবর্ধনা দেয় বিসিবি। এ সময় পরিবারসহ উপস্থিত ছিলেন ৩৬ বছর বয়সী রুবেল। এ ছাড়া বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালসহ বেশ কয়েকজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
বিদায়বেলায় তিনজনকে বিশেষভাবে স্মরণ করেন রুবেল। তিনজনের মধ্যে দুজন রুবেলের বাবা-মা। আর অন্যজন প্রখ্যাত কোচ সারোয়ার ইমরান, পেসার হান্ট থেকে রুবেলকে তুলে এনেছিলেন তিনি। এ ছাড়া সমর্থক, বন্ধুবান্ধব, অন্যান্য কোচ, ফিজিও থেকে শুরু করে মাঠকর্মী, সবার প্রতিই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এই তারকা পেসার। ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি গণমাধ্যমকর্মীদেরও।
রুবেল বলেন, ’অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পরবর্তী সময়ে তামিম ইকবাল ফোন দেয়, বলে রুবেল তোকে আমরা সম্মানিত করতে চাই। যে বিষয় আমার জন্য খুব গর্বের ও আনন্দের ছিল। আজ এত সুন্দর পরিবেশ তৈরি করেছে, এত সুন্দরভাবে সম্মানিত করেছে, এজন্য বোর্ড ও বোর্ড প্রেসিডেন্ট তামিম ইকবালকে ধন্যবাদ জানাই।’

তিনি আরও বলেন, ’একটা মানুষের কথা না বললেই নয়, যে মানুষের অবদান অন্যরকম এই রুবেল হোসেন হওয়ার পেছনে... পেসার হান্ট থেকে নিয়ে এসে আমাকে ওপরে উঠার সিঁড়ি ধরিয়ে দিয়েছেন, প্রিয় কোচ শ্রদ্ধেয় সারোয়ার ইমরান (স্যার)। তার প্রতি সারা জীবন কৃতজ্ঞ থাকব। তার ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা এবং উনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। স্কুল পর্যায় থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত সব কোচ, ফিজিও এমনকি গ্রাউন্ডসম্যান সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। তারা আমাকে সবসময় সাহস দিয়েছেন, সাপোর্ট দিয়েছেন, পাশে ছিলেন।’
বাবা-মায়ের স্মৃতিচারণ করে সমর্থকদেরও ধন্যবাদ জানান রুবেল। তার ভাষ্যমতে, ’আজ এখানে দাঁড়াতে পেরেছি ২ জন মানুষের জন্য, আমার বাবা-মা। আমি তাদের আজ খুব মিস করছি। আমার বন্ধুবান্ধব যারা আমার বিপদে, খারাপ সময়ে পাশে ছিল। মিডিয়া কর্মী, যারা আমাকে উৎসাহ যুগিয়েছেন। আমার ভক্ত, সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমার শেষ জীবন পর্যন্ত এভাবে পাশে থাকবেন, অনুরোধ থাকবে।’