ইথান ব্রুকস ও মেহেদী হাসান মিরাজ © সংগৃহীত
চলমান বিপিএলে সিলেট টাইটান্সের ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে চলছে একের পর এক পরীক্ষা-নিরীক্ষা। নিয়মিতই বদলানো হচ্ছে ব্যাটিং পজিশন, অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব পড়েছে। আসরের শুরুতে ওয়ান-ডাউনে ব্যাট করা মিরাজকে বুধবার (৭ জানুয়ারি) একেবারে শেষের দিকে নামতে দেখা গেছে। তবে এই পরিবর্তনের পেছনের নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেই দলের অভিজ্ঞ ব্যাটার আফিফ হোসেন ধ্রুব’র কাছেও।
এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আফিফ বলেন, ‘এটা (ব্যাটিং অর্ডার নির্দিষ্ট নয় কেন) মিরাজ ভাই আন্সার দিলে ভালো হবে। টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে আলাপ করে কথা বলেই শাফলিং (রদবদল) হচ্ছে। (এসব সিদ্ধান্ত) টিম ম্যানেজমেন্ট থেকেই আসে, কোচিং স্টাফসহ সবার সিদ্ধান্ত। অবশ্য এখনও সেটেলড হয়নি আমার মনে হয়। আজকে ভালো একটা স্কোর এসেছে। সামনের ম্যাচগুলোতে আশা করি স্টেবল রাখার চেষ্টা করব।’
শিশিরের প্রভাবে ব্যাটিংয়ের সুবিধা হয় আফিফের, ‘শিশির থাকলে বোলারদের জন্য কঠিন হয় সবসময়। প্রথম ইনিংসেও শিশির ছিল। আমাদের বোলারদের জন্য কঠিন হয়েছে। প্রতিপক্ষ বোলারদের জন্য তো আরও কঠিন হয়েছে, পরে আরও শিশিরের পরিমাণ বেড়েছে।’
ইনিংস লম্বা করতে না পারায় আফসোস জানিয়ে বাঁ-হাতি এই ব্যাটার বলেন, ‘শুরুটা মোটামুটি হয়েছে। উইকেটও পড়ে গিয়েছিল। সেখান থেকে কাভার-আপ করার চেষ্টা করা এবং খেলায় ছিলাম যতক্ষণ ব্যাট করছিলাম। আমি আউট হওয়ার পরে মনে হয় মোমেন্টাম আরেক দিকে চলে গিয়েছে। পজিটিভ ম্যাচ-আপ ছিল (তানভীর ইসলামের সঙ্গে) অবশ্যই আমার জন্য সহজ হতো। আমি শেষ করতে পারিনি, এটার দায় আমারই।’
আফিফ আরও বলেন, ‘এর আগে ৫-৬ নম্বরে ব্যাট করেছি। সেখানে আমার মনে হয় না ৭০-৮০ রান করে করা সম্ভব। আমি চেষ্টা করেছি ব্যাট করার যত সময় পাই। (টপ-অর্ডারে খেললে) আমার জন্য সহজ হয়। পাওয়ার-প্লে পেলে খেলা গোছাতে একটু সহজ হয়।’