ইসি ও জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ © সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিভিন্ন ঘটনায় সাহায্য চেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ এ ফোনকল এসেছে ৮ হাজার ৩৮০টি। এর মধ্যে ৩৭১৩টি ফোনকল ছিল নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলোর মধ্যে মারামারি, নিষিদ্ধ সময়ে নির্বাচনী প্রচারণা, ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম এবং আইন-শৃঙ্খলা সম্পর্কিত বিষয়ে।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় জরুরি সেবা থেকে এমন তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর প্রধান অতিরিক্ত ডিআইজি মহিউল ইসলাম জানান, জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে। এই সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক স্থাপিত ‘আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেল’ এর সঙ্গে সার্বক্ষণিক নিবিড়ভাবে যোগাযোগ ও সমন্বয় করে সেবাপ্রত্যাশী নাগরিকদেরকে ৯৯৯ নির্বাচন সংক্রান্ত জরুরি সেবা দিয়েছে। এই কার্যক্রম ২২ জানুয়ারি শুরু হয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাতদিন চব্বিশ ঘণ্টা চলমান ছিল।
তিনি আরও জানান, নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগসমূহ ৯৯৯ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এই সময়ে ৯৯৯ নির্বাচন সংক্রান্ত মোট ৮৩৮০টি ফোনকল গ্রহণ করে, যার মধ্যে ৩৭১৩টি ফোনকল ছিল নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলোর মধ্যে মারামারি, নিষিদ্ধ সময়ে নির্বাচনি প্রচারণা, ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম এবং আইন-শৃঙ্খলা সম্পর্কিত বিষয়সমূহ। এসব ফোনকলে ৯৯৯ তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট থানা, জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবগত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এ ছাড়া বাকি ৪৬৬৭টি ফোনকল ছিল নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে চেয়ে।