শোডাউন-স্লোগানের রাজনীতি ও জনগণের প্রত্যাশা

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৬ PM
মোঃ ফিরোজ আলম

মোঃ ফিরোজ আলম © টিডিসি সম্পাদিত

রাজনীতি বলতে সাধারণত বোঝায় রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালনা, দায়িত্ব বণ্টন এবং জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন নীতি নির্ধারণ, সম্পদের বণ্টন, জনগণের স্বার্থ রক্ষা এবং বিরোধ নিষ্পত্তির কৌশল তৈরি করা। কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় রাজনীতির মানে দাঁড়িয়েছে কোনো রাজনৈতিক দলের অনুসারী হয়ে কিংবা কিছু মানুষ একত্র হয়ে মিছিল-মিটিং করা। রাজপথে কিংবা অডিটোরিয়ামে স্লোগান দেওয়া। সমালোচনার নামে এক পক্ষ আরেক পক্ষের নিন্দা করা। যে দলের অনুসারী সেই রাজনৈতিক দল রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকলে বৈধ-অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জনসহ বিভিন্ন সুবিধা আদায় করা। অন্যের মতামতের প্রতি ন্যূনতম সহনশীল না হয়ে প্রতিপক্ষকে বিভিন্নভাবে নিন্দা ও হয়রানি করা। 

বিরোধী দলীয় রাজনীতির আবার ভিন্ন রূপ রয়েছে। প্রতিনিয়ত সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে মিছিল-মিটিং করা। সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে গোপন আঁতাত না থাকলে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বৈধ-অবৈধ উপায়ে ফায়দা লোটার সুযোগ সীমিত। তখন ভালো-মন্দ, যাচাই-বাছাই না করে প্রতিনিয়ত সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদ্‌গার করা। সরকারের ভুল সিদ্ধান্ত হলে তা শোধরানোর পথ না দেখানো। ভুল সিদ্ধান্ত শোধরাতে সুযোগ ও সময় না দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মাতামাতি করা। সরকার যাতে সঠিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে না পারে সেই ষড়যন্ত্র করাও বিরোধী দলের কালচার হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক সময় মিথ্যা তথ্য কিংবা গুজব ছড়িয়ে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা। 

প্রকৃতপক্ষে, রাজনীতিবিদ হলেন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাজনীতি এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়া জনগণের প্রতিনিধি যারা নীতিনির্ধারণ, আইন প্রণয়ন এবং সমাজ পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে জনসেবা বা দলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকেন। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় সরকার দলীয় অথবা বিরোধী দলীয় যেই ব্যক্তি/যারা বেশি লোকবল একত্র করে সরকারের গুণগান কিংবা সরকার বিরোধী উপরিউক্ত কর্মকাণ্ডে পারদর্শী তারাই এখন রাজনীতিবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছেন। লোকবল একত্র করার পদ্ধতি আবার কয়েক ধরনের- যেমন দলীয় নেতাকর্মীদের একত্র করা, অনেক ক্ষেত্রে সাময়িক সময়ের জন্য ভাড়ায়ও লোকবল জোগাড় করা, ফায়দা হাসিল করতে কয়েকজন সংঘবদ্ধ হয়ে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত একত্র হওয়া। এক্ষেত্রে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকে কয়েকজন একত্র হয়ে বিভিন্ন ফায়দা লুটতে সাময়িক সময়ের জন্য একত্র হওয়া। রাজনীতির ময়দানকে কলুষিত করতে এরা চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে কাজ করছে। এরা একেক সময় একেকজন নেতার উপর ভর করে বিভিন্ন সুবিধা আদায় করে। এই দুধের মাছির ঐক্যবদ্ধ আধিপত্যের ফলে দলের দীর্ঘদিন নেতাকর্মীরা ছিটকে পড়ে। এদের ধরে রাখতে বিশেষ সুবিধা দিতে গিয়ে নেতা অনেকসময় কলুষিত হয়ে যায়। পরবর্তীতে এই সুবিধাবাদী গোষ্ঠী নেতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে দলবদ্ধভাবে আরেক নেতার সাথে জোটবদ্ধ হয়। এভাবেই চক্রাকারে তারা সব সময়, সব নেতা কিংবা সকল সরকার দলের সাথে সম্পর্ক রেখে ফায়দা লুটতে থাকে।

ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতারা নিজেদের আধিপত্য বিস্তার এবং হ্যাডমের প্রচারণা করে সুবিধা আদায় করতে মরিয়া। তখন দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বিভিন্নস্থানে ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার আর তোরণ নির্মাণের প্রতিযোগিতা করে থাকেন। ইদ কিংবা বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে চলে এসবের তুমুল প্রতিযোগিতা। অনেক সময় মানুষের বাড়ি কিংবা স্থাপনার রং করা সুন্দর দেয়াল ব্যবহার করা হয়। এতে মালিকের স্থাপনার সৌন্দর্য নষ্ট কিংবা আর্থিক ক্ষতি হলেও রাজনৈতিক চাপ এবং পরবর্তী হয়রানির জন্য প্রতিবাদ করা থেকে বিরত থাকেন। প্রতিনিয়ত দেখা যায় সড়কের পাশে জীবন্ত গাছের উপর পেরেক দিয়ে এগুলো টানানো হয়। এতে গাছের জীবনচক্রের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। কখনো কখনো কখনো দেখা যায় সড়ক কিংবা মহাসড়কের উপর বিশাল আকারের গেট/তোরণ তৈরি করে নেতার নামে প্রতারণা করা হয়। এতে যানবাহন কিংবা পথচারী চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।  একটি নির্দিষ্ট সময়ে/ তা ভেঙে পড়লে অতঃপর সরানো হয়। আশ্চর্যজনকভাবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ব্যক্তির প্রচারণার ডকুমেন্টস এ লেখা থাকে, এলাকার সর্বস্তরের জনগণ ইত্যাদি ইত্যাদি। এসব প্রচারণায় ঐ এলাকাবাসীর কোনো কল্যাণ সাধিত হয় না, তাহলে এলাকাবাসী কেন অর্থ খরচ করে এই প্রচারণা করতে যাবেন?

কোনো নেতা একাকায় যাওয়াকে কেন্দ্র করে কিংবা বিভিন্ন ইস্যুতে সংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে মটর সাইকেল কিংবা গাড়িবহরের শোডাউন জমজমাট হয়েছে। এই সব সোডাউনে অংশগ্রহণকারী সবাই যে সংশ্লিষ্ট দলের নেতাকর্মী এমটাও নয়। অনেকেই সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রভাবশালী নেতার কার্যক্রম অপছন্দ করলেও ওই সোডাউনে যাচ্ছেন। নয়তো ভবিষ্যতে জুটতে পারে হয়রানি। কিছু যোগদান করেন সোডাউনে অংশগ্রহণের ছবি, ভিডিও দেখিয়ে বিভিন্ন সুবিধা আদায়সহ ভবিষ্যৎ ফায়দা লোটার জন্য। এসব সোডাউনে গাড়ি কিংবা মটরসাইকেল অনেক সময় ভাড়া নিয়ে ন্যায্য ভাড়াও পরিশোধ করা হয় না। কখনো কখনো অনেকের ব্যক্তিগত প্রয়োজন উপেক্ষা করে নেতার মন তুষ্টির জন্য গাড়ি, মটরসাইকেল দিতে বাধ্য হয়। 

এই সব সোডাউনে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের অন্তত ঐ দিনের জন্য উপার্জন বাদ দিতে হয়। কেননা নেতা যাওয়ার অনেক আগে থেকেই দাঁড়িয়ে থাকা কিংবা লোকজন একত্র হতে অনেক সময় প্রয়োজন হয়। এইসব সোডাউনে অনেক সময় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়। আবার এই সোডাউন দিতে গিয়ে রাস্তা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। কখনো কখনো দীর্ঘ যানজটেরও সৃষ্টি হয়। এসব ব্যয়ের বিনিময়ে সাধারণ মানুষের কোনো কল্যাণ তো সাধিত হয় না, বরং এবং ক্ষতির পরিমাণ দিন দিন বেড়েই চলছে।

বিরোধী দলীয় কার্যক্রমের একমাত্র অবলম্বন হয়েছে যেকোনো ইস্যুতে সরকার বিরোধী আন্দোলন করা। বক্তব্য, মিডিয়ায় কিংবা টকশোতে গিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে নানান রকমের কথা বলা। পিকেটিং কিংবা হরতাল অবরোধের মাধ্যমে জ্বালাও-পোড়াও, করা, বাস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা। জ্বালানি তেল এবং গ্যাসের সমস্যা এখন বৈশ্বিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কীভাবে এই সমস্যা ওভারকাম করা যায় বর্তমান সরকার তার সমাধান করতে বিরোধী দলের সহযোগিতা এবং পরিকল্পনা চেয়েছেন। কিন্তু সংসদ অধিবেশনে এগুলো সমাধানের পথ না দেখিয়ে সম্প্রতি জ্বালানি তেলের ঘাটতির সময়েও বিরোধী পক্ষ শত শত গাড়ি নিয়ে জ্বালানি তেল-গ্যাসের সরবরাহ বৃদ্ধি এবং মূল্য হ্রাসসহ কয়েকটি ইস্যুতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লংমার্চ করেন। এতে জ্বালানি তেলের আরও অপচয়, জনদুর্ভোগ এবং আর্থিক ক্ষতি হলো। বিপরীতে সাধারণ জনগণের কোনো লাভ হয়নি। বিরোধী দল এভাবে করবেই না কেন?

বাংলাদেশের বিরোধী দল কিংবা নাগরিকদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হচ্ছে রাস্তাঘাট বন্ধ করে দিয়ে আন্দোলন করা। এতে রাষ্ট্রের উৎপাদন ব্যবস্থাসহ নাগরিকদের দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। এই দুর্ভোগ সৃষ্টির জন্য রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকা কর্মকর্তা, সরকার দলীয় নেতৃবৃন্দের দ্বায় অনেক রয়েছে। যতক্ষণে জনদুর্ভোগ কিংবা সর্বাত্মক আন্দোলন দেখে এরা ভীত না হয় ততক্ষণে রাষ্ট্রের নাগরিকদের যৌক্তিক দাবিদাওয়া পূরণ তো দূরে থাক, কর্ণপাতই করেন না। কিন্তু আমরা জাতিগতভাবে সভ্য যার প্রমাণ পাওয়া যায় ৫ই আগস্ট, ২০২৪ এর পরবর্তী সময়। তখন ৩ দিন রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের কৃতকর্মের ভয়ে পালিয়ে বেড়ালেও লুটপাট কিংবা গণহত্যার মতো জঘন্য পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি। এখন বাংলাদেশকে কল্যাণমূলক কিংবা জনকল্যাণমূলক ও বাসযোগ্য হিসেবে পরিচালনা করতে সব পক্ষেরই সহযোগীতা এবং সচেতনতা বৃদ্ধিও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা দরকার। 

এইসব আন্দোলন, সোডাউন কিংবা প্রচারণার উপকরণ তৈরি করার পাশাপাশি তা সাটানোতে অনেক ব্যয়ও হয়। প্রয়োজনীয় অর্থ অনেক ক্ষেত্রে নেতা নিজেই বহন করে থাকেন। অনেকেই আবার কখনো কখনো এই অর্থ আদায়ের জন্য ভিন্নমতের মানুষ, ব্যবসায়ী কিংবা সম্পদশালী মানুষের উপর চাপ প্রয়োগ করেন। কেউবা বিভিন্ন জনের থেকে ডোনেশন নিয়ে থাকেন। কেউবা পরবর্তীতে ফায়দা লোটার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে ডোনেশন দিয়ে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন দিনের আঁতাতকারী কিংবা ঘুমিয়ে থাকারা এই প্রচারণায় বেশি ব্যয় করে থাকেন আনুকূল্য পেতে। 

বর্তমানে রাজনীতির এই আদর্শচ্যুতির ফলে তরুণ, উদীয়মান সজ্জান মেধাবীরা রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, যা যেকোনো দেশ এবং সমাজের জন্য অশনিসংকেত। এক্ষেত্রে রাজনীতিতে বিরুপ প্রভাবও পড়ছে। রাজনীতির এই বেহাল দশা তবুও রাজনৈতিক দলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দুষ্টু চক্র রাজনীতিতে যোগদান করছেন। অ্যারিস্টটলের মতে, “রাজনীতি হলো মানুষের শ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম জীবন নিশ্চিত করার মাধ্যম। যে ব্যক্তি সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতে পারে না কিংবা নিজের আত্মনির্ভরশীলতার কারণে সমাজের বাইরে বসবাস করে, সে তো রাষ্ট্র সমাজের কোনো অংশ হতে পারে না। সে হয় কোনো দেবতা, না হয় কোনো পশু।” যেহেতু মানুষকে সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করতে হয় এক্ষেত্রে রাজনীতিতে যুক্ত থাকলে সমাজের পরিবর্তন করতে সরাসরি ভূমিকা রাখা যায় এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রভাব বিস্তার করা। এজন্যই মানুষ তার নিজ রাজনৈতিক, সামাজিক বা অর্থনৈতিক বিশ্বাসের সাথে যে রাজনৈতিক দলের মতাদর্শের মিল খুঁজে পায় সেখানে যুক্ত হয়।

যার যার এলাকায় সংশ্লিষ্ট নেতা ভালো/মন্দ হোক অধিকাংশই ব্যক্তিগতভাবে, ডাকনামে হলেও পরিচিত। অপ্রয়োজনীয় প্রচারণার ক্ষেত্রে যে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা তা দেশ ও সমাজের মানুষের কোনো উপকারে আসে যে না। এসব অর্থ গণমানুষের জন্য কল্যাণকর এমন কাজে ব্যয় করা উচিত। এক্ষেত্রে যারা এইসব অপ্রয়োজনীয় কর্মকাণ্ডে ব্যয় করেন এবং যারা অর্থের যোগান দেয় তাদের জবাবদিহিতার মধ্যে নিয়ে আসা দরকার। একইসাথে অর্থের উৎস খুঁজে অবৈধ সোর্স পেলে শাস্তি নিশ্চিত করা দরকার। সমাজ ও রাজনীতিতে পরিবর্তন এসেছে, দলীয় নেতাকর্মীদের সেই পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে বিএনপি এমন কার্যক্রম বন্ধ করতে উদ্যোগ গ্রহণ করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। একইসাথে বিরোধী দলের কার্যক্রম এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে জনস্বার্থে প্রাধান্য দেয়ার সময় এসেছে।

লেখক: ফেলো, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ও এম.ফিল গবেষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ইমেইল: [email protected]

ট্যাগ: মতামত
‘২ কোটি টাকার নিচে নড়ব না’, ঘুষের ভিডিও ভাইরালের পর পিডিবি …
  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চবি সাংবাদিকের কাছে কর্মীকে সাংবাদিকতা শিখতে ‘অ্যাসাইন’ ছাত…
  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
একাদশে ৪ কোটায় ভর্তিযোগ্য শিক্ষার্থীর তালিকা প্রকাশ
  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মাভাবিপ্রবিতে ডুমুরভিত্তিক অ্যান্টিডায়াবেটিক ফাংশনাল ফুড ও …
  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জার্মানিতে ৬ লাখ ৫০ হাজার চাকরি, দক্ষদের জন্য বড় সুযোগ 
  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এক্সিকিউটিভ নিয়োগ দেবে মেঘনা গ্রুপ, আবেদন ৫ অক্টোবর পর্যন্ত
  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬