মাসের ১০ তারিখেও এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বেতন পায়নি, দায় কার?

১০ মে ২০২৬, ১০:২৮ PM
রাসেল ইব্রাহীম 

রাসেল ইব্রাহীম  © টিডিসি সম্পাদিত

দেশে স্কুল-কলেজ মিলিয়ে প্রায় পৌনে চার লক্ষাধিক এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। মাস শেষে তারা বেতনের অপেক্ষায় থাকেন—কখন ব্যাংক থেকে মেসেজ আসবে, সেই প্রতীক্ষায় দিন গোনেন। একটি পরিবার কীভাবে মাসের হিসাব মেলাবে, সেই উৎকণ্ঠা তাদের নিত্যসঙ্গী।

বেতন প্রদানে বিলম্ব এড়াতে EFT (Electronic Fund Transfer) সিস্টেম চালু করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো—প্রায় প্রতি মাসেই ১০ বা ১১ তারিখ পর্যন্ত বেতনের বার্তার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। সাধারণত বৃহস্পতিবার রাতের দিকে বেতন ব্যাংকে জমা হয়। সবার এটিএম কার্ড না থাকায় অনেককে আবার রবিবার পর্যন্ত অপেক্ষা করে বেতন তুলতে হয়। এতে লক্ষাধিক শিক্ষক পরিবার মানসিক চাপ ও হতাশার মধ্যে পড়ে।

EFT চালুর আগে শিক্ষকরা অন্তত মাসের প্রথম সপ্তাহেই বেতন পেতেন। এখন প্রযুক্তির যুগে কেন বিলম্ব—এ প্রশ্নের উত্তর মেলে না।

অন্য চাকরিজীবীরা নির্দিষ্ট সময়ে বেতন পান; এ নিয়ে সংবাদ শিরোনাম হয় না। কিন্তু এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন এলে তা নিউজ হয়, আর হাজার হাজার শিক্ষক পরিবার সেই নিউজের অপেক্ষায় বসে থাকে। এটি শুধু বেদনাদায়ক নয়, শিক্ষকদের মর্যাদার পরিপন্থীও।

এই বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কিংবা অর্থ মন্ত্রণালয়—কারও দৃশ্যমান জবাবদিহি নেই। তাহলে শিক্ষকদের ন্যায্য প্রাপ্য নিয়ে ভাববে কে?

দীর্ঘদিন বিভিন্ন প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় অর্থ আটকে রেখে কারা উপকৃত হয়? কোনো লভ্যাংশ কি তৈরি হয়? হলে তা কোথায় যায়? এসব প্রশ্নের স্বচ্ছ তদন্ত প্রয়োজন। শিক্ষকদের বেতন যেন কোনোভাবেই দুর্নীতির সুযোগে পরিণত না হয়—সে বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

লেখক: শিক্ষক ও গীতিকার

বাংলাদেশ নিয়ে ভ্রমণ সতর্কতা কানাডার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডনের জামিন নামঞ্জুর
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান হলেন বিএনপি নেতা মিফতাহ্ সিদ্দিকী
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ দিচ্ছে ট্রাস্ট ব্যাংক
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
একাদশে ভর্তির সময়সূচি নিয়ে কী বলছে শিক্ষা বোর্ড
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
১৬ টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে নতুন অধ্যক্ষ
  • ১২ আগস্ট ২০২৬