চট্টগ্রাম সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়

ঘুষ-হয়রানির অভিযোগে বদলির সুপারিশ, দুই মাসেও বহাল

২২ আগস্ট ২০২৬, ০৩:০০ PM
চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে ‘চট্টগ্রামের সচেতন নাগরিক ও ভুক্তভোগী জনসাধারণ’-এর ব্যানারে মানববন্ধন 

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে ‘চট্টগ্রামের সচেতন নাগরিক ও ভুক্তভোগী জনসাধারণ’-এর ব্যানারে মানববন্ধন  © টিডিসি

ঘুষ ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগে চট্টগ্রাম সদর সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ের অফিস সহকারী মাহফুজুর রহমানকে বদলির সুপারিশ করা হলেও প্রায় দুই মাসেও তা কার্যকর হয়নি। এর মধ্যে তার বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ-বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন নাগরিকরা।

শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে ‘চট্টগ্রামের সচেতন নাগরিক ও ভুক্তভোগী জনসাধারণ’-এর ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা মাহফুজুর রহমানের বিরুদ্ধে এ মানববন্ধন করা হয়।

সাধারণ মানুষকে হয়রানি, অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ-বাণিজ্যের অভিযোগ তুলেন ভুক্তভোগীরা। এ সময় তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। মানববন্ধনে মোহাম্মদ কাইয়ুম, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, জাহাঙ্গীর আলম, মো. রুবেল ও মামুনুর রশীদসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর নিজের স্ত্রীর নামে কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের ভিত্তিতে মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী দিলুয়ারা মাহফুজের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর উপসহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী। মামলায় মাহফুজুর রহমানের স্ত্রী দিলুয়ারা মাহফুজকে প্রধান আসামি করা হয়। তাদের বাড়ি চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায়।

জানা গেছে, ২০২২ সালের ৪ জানুয়ারি জনৈক আবদুর রহিমের জাল-জালিয়াতির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নিজ দপ্তরের দেওয়া শোকজের জবাবে মাহফুজুর রহমান লিখিতভাবে বলেন, ‘আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান। মহান মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। আমার মরহুম পিতা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ের একজন রণাঙ্গনের সৈনিক ছিলেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পটিয়া উপজেলাস্থ কালারপুল নামক স্থানে আমার পিতা প্রথম স্বাধীনতার প্রতীক নৌকা বানিয়ে এলাকার জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে উত্তোলন করেন। সেই পরিবারের সন্তান কীভাবে জামায়াত-বিএনপি হয়?’ তিনি আরও দাবি করেন, অভিযোগকারীর আনা অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।’

৫ আগস্টের পর থেকে তিনি নিজেকে বিএনপির পরিচয় দিয়ে আসছেন। দুদকের মামলা চলমান থাকা অবস্থায়ও তাকে চট্টগ্রাম সদর সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে পদায়ন করা হয়। এরপর থেকে তার বিরুদ্ধে লাগামহীন ঘুষ-বাণিজ্য, অনিয়ম ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ রয়েছে।

গত ৭ জুলাই চট্টগ্রাম জেলা রেজিস্ট্রার খন্দকার জামীলুর রহমানের সই করা এক অফিস আদেশে মো. মাহফুজুর রহমানকে চট্টগ্রাম সদর সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয় থেকে মিরসরাই সাবরেজিস্ট্রি দপ্তরে পদায়নের সুপারিশ চেয়ে ঢাকার মহাপরিদর্শক নিবন্ধন বাংলাদেশ বরাবরে সুপারিশ করা হয়েছে। অদ্যাবধি এখনও বহাল তবিয়তে আছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে মো. মাহফুজুর রহমানের মুঠোফোনে কয়েকবার কল দেওয়া হলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে চাকরি দিচ্ছে আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশন
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
বসতঘর থেকে বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগ ও ছাত্রদল…
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ নিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিল অধিদপ্তর
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
সড়কে কলাগাছ ফেলে ছুরি হাতে যুবক, দেড় ঘণ্টা বন্ধ যান চলাচল
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
চাকরি দেবে ইজি ফ্যাশন লিমিটেড
  • ২২ আগস্ট ২০২৬