দেশে পৌঁছাল কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাজুর মরদেহ

২২ আগস্ট ২০২৬, ০১:৫৬ PM
শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে সাজুর মরদেহ বাংলাদেশে পৌঁছায়

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে সাজুর মরদেহ বাংলাদেশে পৌঁছায় © টিডিসি

চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে কলকাতার একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ দেশে ফিরেছে। শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে মরদেহটি বাংলাদেশে পৌঁছালে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সাজুর মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর জানাজা ও দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। একই ঘটনায় নিহত কালীগঞ্জের রেবতী সরকারের (৩৭) শেষকৃত্য কলকাতাতেই সম্পন্ন হয়েছে।

আলিমুজ্জামান সাজু কালীগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মৃত ইউনুস সরদারের ছেলে। চিকিৎসার জন্য কয়েক দিন আগে তিনি ভারতে যান। কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে অবস্থানকালে গত বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে অগ্নিকাণ্ডে তার মৃত্যু হয়।

ভোমরা ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তা সজিব বালা বলেন, শনিবার দুপুরের পর সাজুর মরদেহ ভোমরা ইমিগ্রেশন দিয়ে দেশে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সাজুর বড় ভাই সাহেব সরদার বলেন, ভোমরা স্থলবন্দর থেকে মরদেহ গ্রহণ করে তারা বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। বাড়িতে জানাজা ও দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর দাফন সম্পন্ন করা হবে।

শনিবার দুপুরে কালীগঞ্জের বরেয়া গ্রামে সাজুর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকেই স্বজন ও প্রতিবেশীরা তার মরদেহের অপেক্ষায় রয়েছেন। বাড়ির পাশে কবর খনন করে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রিয়জনের মরদেহ আসার অপেক্ষায় স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের আবহ।

পরিবারের সদস্যরা জানান, চিকিৎসা শেষে শনিবারই দেশে ফেরার কথা ছিল সাজুর। কিন্তু দেশে ফিরতে হলো তার মরদেহ হয়ে। এর আগে অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার পর থেকেই সাজুর স্বজনেরা মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন।

আরও পড়ুন: ১০ সরকারি স্কুল তৈরির কাজ শেষ হয়নি ৯ বছরেও

এদিকে একই অগ্নিকাণ্ডে নিহত কালীগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামের ভবেশ সরকারের স্ত্রী রেবতী সরকারের শেষকৃত্য কলকাতায় সম্পন্ন হয়েছে। চিকিৎসার জন্য প্রায় ১০ দিন আগে তিনি ভারতে গিয়েছিলেন। শনিবার তার দেশে ফেরার কথা ছিল।

রেবতীর দেবর তপন সরকার বলেন, রেবতীর দুই সন্তান ভারতে থাকেন। এ কারণে শুক্রবার কলকাতার নিমতলা ঘাটে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছে। এ সময় রেবতীর স্বামী ভবেশ সরকারও সেখানে ছিলেন।

রেবতীর আরেক দেবর সঞ্জয় সরকার জানান, পরিবারের সদস্যরা ভারতে থাকায় রেবতীর মরদেহ দেশে আনা হয়নি। কলকাতাতেই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছে।

গত বুধবার রাতে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কয়েকজন বাংলাদেশিসহ নয়জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি ছিলেন। তাঁদের মধ্যে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের সাজু ও রেবতীও ছিলেন।

চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে একই অগ্নিকাণ্ডে সাজু ও রেবতীর মৃত্যুর ঘটনায় কালীগঞ্জের দুই পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সাজুর মরদেহ দেশে ফিরে আসায় শেষবারের মতো তাকে দেখতে বাড়িতে ভিড় করছেন স্বজন ও প্রতিবেশীরা। অন্যদিকে কলকাতার মাটিতেই শেষ বিদায় জানানো হয়েছে রেবতীকে।

ঢাকায় মনোরেল করিডোর উন্নয়নে প্রাক-সম্ভাব্যতা সমীক্ষার চুক্তি
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘ছাত্রলীগ-যুবলীগের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’—বিএনপির মিছিল…
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যারাই জড়িত হোক, আইনের আওতায় আসবেন—সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর ই…
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশে নভেম্বর পর্যন্ত এলএনজি পাঠাতে পারবে না কাতার
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪৩ জনকে চাকরি দেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ক্রীড়া পরিদপ্তর
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গ্যাসের বাজারে নজর, দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: জাহেদ উর রহমান
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬