প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর © সংগৃহীত
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার ১০৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই বৃত্তি পায়নি। ফল প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাদের একাংশের দাবি, উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষার মান ও একাডেমিক তদারকির ঘাটতির বিষয়টি এ ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে।
একাধিক অভিভাবক বলেন, উপজেলার কোনো শিক্ষার্থী বৃত্তি না পাওয়ায় তারা হতাশ। তাদের মতে, বিদ্যালয়গুলোয় নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক তদারকি আরও কার্যকর হওয়া প্রয়োজন।
রাউদগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক সালাম মিয়া বলেন, সন্তানের বৃত্তির আশায় তিনি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করিয়েছিলেন। ফলাফল তাকে হতাশ করেছে। তাঁর অভিযোগ, বিদ্যালয়ে পড়াশোনার মান এবং শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ের তদারকি সন্তোষজনক নয়।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলীর বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, একজন শিক্ষার্থীও বৃত্তি অর্জন করতে না পারার কারণ পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। পাশাপাশি বিদ্যালয়ভিত্তিক শিক্ষার মান মূল্যায়ন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং নিয়মিত একাডেমিক তদারকি জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেন তারা।