বন্যার পানিতে ডুবে প্রাণ গেল শিশু, কিশোর ও যুবকের © সংগৃহীত
কক্সবাজারের চকরিয়ায় বন্যার পানিতে ডুবে পৃথক ঘটনায় এক শিশু, এক কিশোর ও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
নিহতরা হলেন চকরিয়া পৌরসভার হাসেম মাষ্টার পাড়া এলাকার আবুল হাসেমের দেড় বছরের ছোট্ট শিশু মোহাম্মদ হাসান, কৈয়ারবিল ইউনিয়নের খোজাখালী জলদাশপাড়ার তুফান দাশের ছেলে সুজিত দাশ (১২) এবং বরইতলী ইউনিয়নের শান্তিবাজার ফতেহ আলী সিকদারপাড়ার মাওলানা নেছার আহমদের ছেলে আতাউল্লাহ (২০)।
জানা গেছে, শনিবার (১১ জুলাই) বিকালে বন্যার পানির স্রোতে ভেসে নিখোঁজ হয় সুজিত। পরে রবিবার বিকালে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল মাতামুহুরী নদীর পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের নর্থ জোনের ইনচার্জ পরিদর্শক দিদারুল হক বলেন, প্রবল স্রোতের কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হলেও পরে ডুবুরি দল মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
এদিকে রবিবার (১২ জুলাই) বিকালে বরইতলী ইউনিয়নে বন্যার পানিতে ডুবে আতাউল্লাহ নামে এক যুবক গুরুতর অসুস্থ হন। স্থানীয়রা তাকে চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বরইতলী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নাছিম হেজাজী আতাউল্লাহর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রবিবার বিকেল পাঁচটার দিকে বাড়ির পার্শ্ববর্তী বিলে যাওয়ার সময় বন্যার পানির প্রবল স্রোতে ভেসে যায় আতা উল্লাহ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আধাঘন্টা পরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
একই দিন বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে চকরিয়া পৌরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ড পালাকাটা হাসেম মাস্টার পাড়া এলাকায় আবুল হাসেমের ছোট্ট শিশু হাসান বাড়িতে খেলার চলে কোন এক ফাঁকে উঠানে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে পড়ে মৃত্যু বরণ করে। পানিতে পড়ে শিশু মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুরুল আমিন।