টিডিসি সম্পাদিত © টিডিসি
সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স (ডেক) থেকে টাকা গণনার সময় সিলেট থেকে প্রত্যাহার করা সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলমের প্রশংসা করে একটি চিঠি পাওয়া গেছে। চিঠিতে নাম-পরিচয় কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
শনিবার (১১ জুলাই) বেলা সোয়া ১১টার দিকে দরগাহ মসজিদের বারান্দায় মাজারের দানবাক্স (ডেক) থেকে টাকা বের করে গণনা শুরু হয়। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে দানবাক্স থেকে পাওয়া অর্থ গণনা করা হচ্ছিল। এ সময় নগদ অর্থের পাশাপাশি হাতে লেখা ওই চিঠি পাওয়া যায়।
নিম্নে একটি চিঠি হুবহু তুলে ধরা হলো, ‘খোকন বাটপার! সে মাজারের সকল গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগী বেচাকেনা করে। মাজারের খাদেমের অর্ধেকের বেশি তার ইশারায় চলে। খোকনের কারণে পূর্বের অনেক কর্মরত-কর্মচারি চাকরিহারা। তাদের মধ্যে কিছু বর্তমানে সবজি বিক্রি করে জীবন-জীবিকা চালায়। আমি চাই তার সঠিক বিচার হউক। সারওয়ার আলম ফিরে আসুক সিলেটে।’
শনিবার বেলা সোয়া ১১টার পর থেকে দীর্ঘ ১৯ দিন পর দ্বিতীয়বারের মতো মাজার প্রাঙ্গণে টাকা গণনার কাজ শুরু হয়। গণনা শেষে এবারও দানের টাকার হিসাব প্রকাশ করা হবে।
এর আগে গত ২২ জুন আটটি ডেগ আর দানবাক্স খুলে মোট ১৭ লাখ ৫৪৯ টাকা নগদ পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৭ আনা স্বর্ণালংকার এবং সৌদি ৫ রিয়ালের দুটি নোট পাওয়া গিয়েছিল। মাজারের ভক্ত ও অনুরাগীদের এসব দান ছিল চার দিনের। পরে জেলা প্রশাসকের ব্যবস্থাপনায় নতুন করে চালু করা একটি ব্যাংক হিসাবে এসব টাকা জমা রাখা হয়।