সাভারের রানা প্লাজা ট্রাজেডির ১৩ বছর আজ

২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩১ PM
 রানা প্লাজা

রানা প্লাজা © টিডিসি ফটো

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল। সাভার-এর একটি ভবন ধসে মুহূর্তেই স্তব্ধ হয়ে যায় হাজারো মানুষের জীবন। ভয়াবহ সেই দিনটি আজও শোকের প্রতীক হয়ে আছে বাংলাদেশের ইতিহাসে।

রানা প্লাজা নামের নয়তলা ভবনটি ধসে পড়ে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে। এতে প্রাণ হারান ১ হাজার ১৩৮ জন শ্রমিক, আহত হন আরও দুই হাজারেরও বেশি মানুষ। বিশ্বের ইতিহাসে এটি অন্যতম ভয়াবহ শিল্প দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচিত।

দুর্ঘটনার আগের দিন ভবনে ফাটল দেখা গেলেও, ঝুঁকি উপেক্ষা করে শ্রমিকদের কাজে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়। আর সেই অবহেলা, দায়িত্বহীনতা আর লোভের নির্মম পরিণতি হয়ে আসে এই ট্রাজেডি।

সকাল প্রায় ৯টা। অন্যান্য দিনের মতোই কাজ শুরু করেছিলেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। কিন্তু হঠাৎ করেই কেঁপে ওঠে ভবনটি। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ধসে পড়ে পুরো রানা প্লাজা। ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে শত শত মানুষ।

এই দিনটি আসলেই ধ্বসে পরা রানা প্লাজার সামনে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। রানা প্লাজার সামনে এসব কর্মসূচীর আয়োজন করেন রানা প্লাজায় আহত, নিহত, শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ আদায় সংগ্রাম কমিটি।

প্রতি বছরের মতো এবারও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন, স্বজনহারারা ও সচেতন নাগরিকরা নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন করছেন। নিহতদের স্মরণে দোয়া, আলোচনা সভা এবং শ্রদ্ধা নিবেদন করা হচ্ছে।

১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও রানা প্লাজা ট্রাজেডির ক্ষত এখনো শুকায়নি। এটি শুধু একটি দুর্ঘটনা নয়—এটি একটি নির্মম শিক্ষা। শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দায়ীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি।

যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার লক্ষ্যে ইরানে হামলা চালানোর দাবি যুক্…
  • ২৮ মে ২০২৬
মুসলমানদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে: স্পিকার
  • ২৮ মে ২০২৬
৪০০-৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে কোরবানির মাংস
  • ২৮ মে ২০২৬
তুমি ছাড়া আমার জীবনে এখন ঈদ আসে না: আরিফিন শুভ
  • ২৮ মে ২০২৬
দুইদিনে ঢাকায় অন্তঃসত্ত্বা নারী-শিশুসহ বিভিন্ন ঘটনায় ১৩ জনে…
  • ২৮ মে ২০২৬
কাশিমপুর কারাগারে বন্দিদের ঈদের আনন্দ
  • ২৮ মে ২০২৬