চাঁদপুর হাসান আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় © সংগৃহীত
সারা দেশের মতো চাঁদপুর জেলায়ও প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এ পরীক্ষায় জেলার মোট ১৩ হাজার ৬৪৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ছাত্রের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র রয়েছে ৪ হাজার ৮২৩ জন এবং ছাত্রী রয়েছে ৮ হাজার ৮২০ জন।
জেলার ৮টি উপজেলার ২০টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উপজেলাভিত্তিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হলো চাঁদপুর সদর উপজেলায় ২,৪০৮ জন, কচুয়ায় ২,০২৯ জন, হাজীগঞ্জে ১,৯৩৫ জন, হাইমচরে ৬৬৯ জন, শাহরাস্তিতে ১,৪৪১ জন, ফরিদগঞ্জে ২,২১৬ জন, মতলব দক্ষিণে ১,০৬২ জন ও মতলব উত্তরে ১,৮৮৩ জন। চাঁদপুর সদর উপজেলার পর ফরিদগঞ্জ উপজেলায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
পরীক্ষা নিয়ে কয়েকজন অভিভাবক জানান, বৃত্তি পরীক্ষাটি আরও আগে অনুষ্ঠিত হলে শিক্ষার্থীদের জন্য সুবিধাজনক হতো। বর্তমানে ষষ্ঠ শ্রেণির পড়াশোনার চাপ থাকায় শিক্ষার্থীদের জন্য একসঙ্গে পড়াশোনা ও পরীক্ষা প্রস্তুতি কিছুটা কঠিন হয়ে পড়ছে। তবে দীর্ঘদিন পর বৃত্তি পরীক্ষা আবার চালু হওয়ায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
চাঁদপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুহাম্মদ মোছাদ্দেক হোসেন জানান, পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
পরীক্ষা চলাকালীন তিনি চাঁদপুর মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং চাঁদপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
উল্লেখ্য, জেলার মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ১২,৩৩৬ জন এবং বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন থেকে অংশগ্রহণ করেছে ১,৩০৭ জন।