জ্বালানি তেল পাচার ঠেকাতে হবিগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির তল্লাশি জোরদার

০৭ মার্চ ২০২৬, ১২:৪২ PM
চেকপোস্ট স্থাপন করে যানবাহনে তল্লাশি চালাচ্ছেন বিজিবি সদস্যরা

চেকপোস্ট স্থাপন করে যানবাহনে তল্লাশি চালাচ্ছেন বিজিবি সদস্যরা © টিডিসি

‎আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চলমান উত্তেজনা ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় হবিগঞ্জ সীমান্তে নজরদারি জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সম্ভাব্য জ্বালানি তেল-সংকট কিংবা মূল্যবৃদ্ধির সুযোগে সীমান্তপথে পাচার প্রতিরোধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

‎শুক্রবার (৬ মার্চ) সকাল থেকে জেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এসব এলাকায় অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে যানবাহনে তল্লাশি চালাচ্ছেন বিজিবি সদস্যরা। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল কার্যক্রমও বাড়ানো হয়েছে।

‎হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫) বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর সুযোগে কিছু অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অবৈধভাবে জ্বালানি মজুদ কিংবা সীমান্তপথে পাচারের চেষ্টা করতে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

‎সীমান্তের যেসব রুট দিয়ে অতীতে বিভিন্ন ধরনের পণ্য পাচারের ঘটনা ঘটেছে, সেসব স্থানকে বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দিন-রাত টহল পরিচালনা করছে বিজিবি।

‎হবিগঞ্জ-৫৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজিলুর রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সীমান্তে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বাজারে অস্থিরতা তৈরি হলে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে জ্বালানি মজুদ বা পাচারের চেষ্টা করে থাকে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই ঝুঁকি আরও বেড়েছে।

‎তিনি আরও জানান, সীমান্তের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী সড়কগুলোতে চলাচলকারী যানবাহনের ওপরও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

‎সন্দেহজনক কোনো পরিবহন দেখলেই তাৎক্ষণিকভাবে তল্লাশি করা হচ্ছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে, যাতে পাচার চক্রের তৎপরতা সম্পর্কে আগাম তথ্য পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

‎বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা পাচার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই সন্দেহজনক কোনো কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর জন্য স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

‎সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের কঠোর নজরদারি ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ইনকোর্সের প্রশ্নে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নাম না থাকায় পরীক…
  • ২১ জুন ২০২৬
শাকিব বললেন— ‘তোমার শাশুড়ি রান্না করে দিয়েছে’: মিষ্টি জান্ন…
  • ২১ জুন ২০২৬
অনার্স ৪র্থ বর্ষের মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ
  • ২১ জুন ২০২৬
শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে মান…
  • ২১ জুন ২০২৬
সুইস গভর্নমেন্ট এক্সিলেন্স স্কলারশিপে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সুই…
  • ২১ জুন ২০২৬
‘একটাও সামনে আইবি না, একদম মাইরা ফেলামু’—পুলিশকে যুবলীগ নেত…
  • ২১ জুন ২০২৬