সাবডিভিশন থেকে পূর্ণাঙ্গ জেলা: শেরপুরের ৪২ বছরে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অগ্রযাত্রা

২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:১৬ PM
শেরপুর জেলা

শেরপুর জেলা © সংগৃহীত

আজ ২২ ফেব্রুয়ারি। চার দশকের বেশি সময় আগে, ১৯৮৪ সালের এই দিনে শেরপুরকে সাবডিভিশন থেকে পূর্ণাঙ্গ জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সেই দিন থেকে উত্তরাঞ্চলের এই প্রশাসনিক এলাকা জেলার মর্যাদা ও স্বতন্ত্র পরিচয় অর্জন করে। আজ শেরপুর জেলা ৪২তম জন্মদিন পালন করছে—একটি দীর্ঘ ইতিহাস, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার প্রতিফলন।

শেরপুরের ইতিহাস বহু প্রাচীন। প্রাচীনকালে এই অঞ্চল ছিল কামরূপ রাজ্যের দক্ষিণ সীমান্ত। মুঘল আমলে এটি ‘দশকাহানিয়া বাজু’ নামে পরিচিত ছিল। এই নামকরণ ঘটেছিল নদীপথের যাত্রীদের ওপর ধার্যকৃত দশ কাহন শুল্কের কারণে। পরবর্তী সময়ে স্থানীয় জমিদার শের আলী গাজী এলাকায় শাসন করার পর নামটি পরিবর্তিত হয়ে পরিচিত হয় ‘শেরপুর’ নামে। ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৬৯ সালে শেরপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়, যা প্রশাসনিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রশাসনিক পুনর্গঠনের ধারাবাহিকতায় শেরপুরকে প্রথমে সাবডিভিশন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় ১৯৭৯ সালে। এরপর ১৯৮৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রশাসনিক সংস্কারের মাধ্যমে শেরপুরকে পূর্ণাঙ্গ জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

বর্তমানে শেরপুর জেলার প্রশাসনিক কাঠামোতে আছে পাঁচটি উপজেলা—শেরপুর সদর, নালিতাবাড়ী, নকলা, শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী। জেলাটির আয়তন প্রায় ১ হাজার ৩৬৪ দশমিক ৬৭ বর্গকিলোমিটার, উত্তরে ভারতের মেঘালয় সীমান্ত, দক্ষিণে ময়মনসিংহ ও পশ্চিমে জামালপুর জেলার সঙ্গে সংযোগ রয়েছে।

জেলার অর্থনীতি মূলত কৃষিনির্ভর, ধান, সবজি ও অর্থকরী ফসলের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করে থাকে। পাশাপাশি সীমান্ত বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতেও সম্ভাবনা রয়েছে। গারো পাহাড়ের পাদদেশ, গ্রামীণ জীবনযাত্রা ও প্রাকৃতিক বনাঞ্চল শেরপুরকে অনন্য বৈশিষ্ট্য দিয়েছে।

৪২ বছর পেরিয়ে আজ শেরপুর জেলা শুধুই প্রশাসনিক পরিচয় নয়, এটি ঐতিহ্য, সংগ্রাম এবং সম্ভাবনার প্রতীক। স্থানীয়রা মনে করে, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের অগ্রগতি বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করলে শেরপুর আগামী দিনে আরও এগিয়ে যাবে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহল থেকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে, যখন একটি সাবডিভিশন স্বতন্ত্র জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল এবং উত্তরবাংলার মানচিত্রে নতুন পরিচয় পায়।

শুভেচ্ছা জানিয়ে শেরপুর-১ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বলেন, ‘২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৪—শেরপুর জেলার যাত্রা শুরু। আজ সেই গৌরবের দিন। গারো পাহাড়ের পাদদেশের এই জনপদকে একটি উন্নত, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ জেলায় রূপ দিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

মৃত্যুর ৮ মাস পর কফিনে দেশে ফিরলেন লিবিয়া প্রবাসী তরিকুল
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাসের বুকে ঐতিহাসিক নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের হাসপাতালে মশারি সরবরাহ করা হবে: রিজ…
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাজারে যাওয়ার সুযোগে ৪১ দিনের শিশু চুরি, নোয়াখালী থেকে উদ্ধ…
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে প্রদর্শিত হচ্ছে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়…
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাবিতে নবীনবরণে গোলাম আযমের ‘মনটাকে কাজে দিন’, ছাত্রদল-বাম …
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
FALL 2026
Application Deadline Wednesday, 16 Sept 2026
Apply Now

Admission Test Schedule

  • Test Date: Friday, 18 Sept 2026
  • Written Exam: 10:00 – 11:00 AM
  • Oral Viva: 11:30 AM onwards

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9