বাঁশ ও টিন দিয়ে এসব অবৈধ দোকান গড়ে তোলা হয় © সংগৃহীত
কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর তীরে বিএনপির ব্যানার লাগিয়ে নদীবন্দরের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। সেই জমিতে অবৈধ স্থাপনাও গড়ে তুলেছিল একটি চক্র। তবে গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরদিন গত শুক্রবার রাতে কয়েকজন দখলদার নদীর কস্তুরাঘাট অংশে অন্তত ১৫টি বাঁশ ও টিন দিয়ে কয়েকটি অস্থায়ী দোকানঘর নির্মাণ করেন। টিনের একটি দোকানে কক্সবাজার-৩ (সদর, রামু ও ঈদগাঁও) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজলের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত একটি ধানের শীষের ব্যানারও টানিয়ে দেওয়া হয়। দ কিছু ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তবে বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে অস্বীকার করে ফেসবুক পোস্ট দেন লুৎফুর রহমান কাজল। তিনি লেখেন, আমার নির্বাচনী এলাকায় কেউ চাঁদাবাজি করলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে ধরিয়ে দিন, পুরস্কৃত করা হবে। দখলবাজি, বালু উত্তোলনও বন্ধ থাকবে। পর্যটন শহর কক্সবাজারকে নিরাপদ রাখাই এখন প্রধান কাজ।
কাজলের এই পোস্টের পর গত শনিবার রাতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধ দোকানপাট গুঁড়িয়ে দেন। এ প্রসঙ্গে নবনির্বাচিত এমপি লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, বাঁকখালী নদীর কিছু জমির মালিকানা নিয়ে বিতর্ক আছে। মামলা ও রিটও আছে। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে যৌথ বাহিনীর উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সুরাহা করা যায়। কিন্তু অবৈধভাবে কাউকে নদী বা নদীবন্দরের জমি দখল করে স্থাপনা তৈরির সুযোগ দেওয়া হবে না। যারা অবৈধ স্থাপনায় নির্বাচনী ব্যানার ঝুলিয়েছেন, তাদের শনাক্তকরণের কাজ চলছে
ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফাহিমুর রহমান এ বিষয়ে বলেন, বিএনপির সংসদ সদস্যের নাম ব্যবহার করে নদীর জায়গায় স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছিল। এ কারণে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেসব গুঁড়িয়ে দিয়েছে।