নানা আয়োজনে নেত্রকোনায় কমরেড মনি সিংহের ৩৫তম প্রয়াণদিবস পালিত 

৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:০৭ PM , আপডেট: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:২০ PM
কমরেড মণি সিংহর ৩৫তম প্রয়াণদিবস নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়

কমরেড মণি সিংহর ৩৫তম প্রয়াণদিবস নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয় © টিডিসি

টংক আন্দোলনের মহানায়ক, মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কমরেড মণি সিংহর ৩৫তম প্রয়াণ দিবস পালিত হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল থেকে নানা আয়োজনে দিনব্যাপী এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

এ উপলক্ষে স্থানীয় টংক শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ ও কমরেড মণি সিংহ স্মৃতি জাদুঘর চত্তরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন শেষে কমরেড মণি সিংহের প্রতিকৃতিতে সর্বস্তরের অংশগ্রহণে পুষ্পস্তবক অর্পন, শোক র‌্যালি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও বিকেলে আলোচনা সভায় মেলা উদযাপন কমিটির আহবায়ক, ডা. দিবালোক সিংহ সভাপতিত্ব করেন এবং সঞ্চালনায় ছিলেন, সিপিবি উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম।

আলোচনা সভায় কমরেড মণি সিংহের জীবনীর ওপর আলোচনা করেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. তাইয়েবুল হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন তালুকদার, মেলা উদযাপন কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক অজয় সাহা, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও মেলা কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন মুকুল, সিপিবি উপজেলা কমিটির সভাপতি আলকাছ উদ্দীন মীর, উদীচী উপজেলা সংসদের সভাপতি শামছুল আলম খান, কমরেড মনিসিংহ ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্য ডা. সাকি খন্দকার, মেলা কমিটির সদস্য শফিউল আলম স্বপন, কবি বিদ্যুৎ সরকার সহ ছাত্র ইউনিয়ন ও যুব ইউনিয়ন ও ক্ষেত মজুর সমিতির নেতারা।

আলোচনার শুরুতেই দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। পরবর্তী সময়ে কমরেড মণিসিংহের জীবনীর উপর আলোচনাকালে বক্তারা বলেন, ১৯২৮ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার মেটিয়াবুরুজে কেশরাম কটন মিলে শ্রমিকদের ১৩ দিনব্যাপী ধর্মঘটে নেতৃত্ব দিয়ে দাবি আদায়ের মাধ্যমে মণি সিংহ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রথম সফলতা অর্জন করেন। ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দে তিনি গ্রেফতার হন এবং ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বর মাসে জেল থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি সুসং-দুর্গাপুরে আসেন। এখানে অবস্থানকালে এখানকার কৃষকদের সংগঠিত করে টংক প্রথার বিরুদ্ধে কৃষক আন্দোলন পরিচালনা করেন। ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে নেত্রকোনায় অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত কিষাণ সভার মহাসম্মেলনের তিনি অন্যতম সংগঠক ও অভ্যর্থনা কমিটির সভাপতি ছিলেন।

সারাজীবন মেহনতি মানুষের পক্ষে বৈষম্যবিরোধী রাজনীতি করে গেছেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা ছিলেন। নতুন প্রজন্মের কাছে এই মহান নেতার জীবনী তুলে ধরতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দের আজকের এই দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

ইউআইইউতে ‘ভালোবাসায় বাড়ানো হাত’ বই পর্যালোচনা প্রতিযোগিতার …
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
অগ্রযাত্রার নতুন দিগন্ত: দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি ও টেকসই রূপা…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
দুপুরের মধ্যে দেশের ৬ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
সদরঘাটে শ্রমিকদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সংঘর্ষে যুবক নিহত
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
খুকৃবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
‘এমবিবিএস’ পরিচয়ে চিকিৎসা, ভুয়া চিকিৎসককে ৫০ হাজার টাকা জরি…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬