ট্রেন দেখতে গিয়ে ইঞ্জিনের ধাক্কায় প্রাণ গেল নানা নাতনীর

২৭ মার্চ ২০২৫, ০৯:৪৩ PM , আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৫, ১২:২৭ PM

© প্রতীকী ছবি

নানার বাড়িতে ঈদ করার জন্য গিয়েছিলেন ছোট্ট মুনতাহার। বাড়ির পাশে রেললাইন হওয়ায় নানার সাথে ট্রেন দেখতে বের হয়েছিলেন শিশুটি। কিন্তু ট্রেনের ইঞ্জিনের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুজনেরই। 

বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) বিকেলে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল (দোতলা সাঁকো সংলগ্ন) এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

এ ঘটনায় উত্তর বাঘইল ও চর-মিরকামারী গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতরা হলেন উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের উত্তর বাঘইল এলাকার মৃত রহমত সরদারের ছেলে বাবুল সরদার (৫৫) ও চর-মিরকামারী এলাকার ইসমাইল হোসেনের মেয়ে মুনতাহার (৫)। বাবুল ও মুনতাহার সম্পর্কে নানা ও নাতনী।

নিহতের পারিবারিক ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, ঈদ করার জন্য মুনতাহার নানার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। ইফতারের কিছু সময় আগে বাড়ির কাছেই রেললাইন হওয়ায় নাতনীর ট্রেন দেখার আবদার মেটাতে রেল লাইনের উপর নানা ও নাতনি বেড়াতে যান। এসময় ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনের দিক থেকে ট্রেনের ইঞ্জিন আসতে দেখে নাতনী দৌড়ে রেললাইনের উপর উঠে যায়। 

এই অবস্থায় নাতনিকে বাঁচাতে গেলে নাতনীর মত নানা বাবুল সরদারও ট্রেনের ইঞ্জিনের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে নানা ও নাতনী দুইজনই ছিটকে নিচে পড়ে। আশপাশের লোকজন ছুটে গিয়ে নানাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। গুরুতর আহত নাতনিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। পরে রেলওয়ে থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, নিহতদের পরিবারের লিখিত আবেদনে মরদেহ স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ব্যাপারে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

যুদ্ধবিরতির পরও ইরানের তেল শোধনাগারে হামলা
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
হাদি হত্যার ২ আসামিকে ফেরত পাঠাতে সম্মত ভারত
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
হামের উপসর্গ নিয়ে ঝরল আরও ১০ শিশুর প্রাণ
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা এনস…
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাজ্যের বিসিআইয়ের সদস্য পদ পেল বাংলাদেশ ব্যাংক
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
ছাত্রীদের ফুটবল খেলার ভিডিও ধারণ নিয়ে বিএনপি নেতার ছেলের তু…
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
close