নতুন নামে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সংগঠন

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৮:৪৫ AM

© ফাইল ফটো

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নতুন নামকরণ করা হয়েছে। আগের নামটি সংক্ষেপ করে ‘বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ’ রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে সংগঠনের শ্লোগান করা হয়েছে শিক্ষা, অধিকার ও প্রগতি।

আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি সংগঠনটির দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এইদিনেই নতুন নামে আত্মপ্রকাশ করেছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সংগঠন। তাদের ‘কোটা সংস্কার চাই’ নামের ফেসবুকে পেজে এই বিষয়ে একটি স্ট্যাটাস দেয়া হয়েছে। আর আহবায়ক হাসান আল মামুনসহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরাও নতুন নামের লগো সম্বলিত ব্যানার ফেসবুকে শেয়ার করছেন।

‘কোটা সংস্কার চাই’ ফেসবুক পেজে বলা হয়েছে, ৩য় বর্ষে পদার্পনের এই মাহেন্দ্রেক্ষণে সকল সদস্যের সাথে আলোচনা করে আমাদের সংগঠনের নাম সংক্ষেপ করে ‘বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ’ নামকরণ করেছি। আজ থেকে ‘বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ’ নামটি ব্যবহার করার জন্য সকলের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। সংগঠনের শ্লোগান করা হয়েছে শিক্ষা, অধিকার ও প্রগতি। ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সংগঠনের সকল সদস্য, ছাত্র সমাজ ও দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ব্যানার

 

এদিকে আজ বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলায় বেলুন ও পায়েরা উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি উদ্বোধন করা হবে। এরপর কেক কেটে আনন্দ র‍্যালি নিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করবে। ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহবায়ক হাসান আল মামুন দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। একইসঙ্গে ছিন্নমূল শিশুদের খাবার বিতরণ ও বিশেষ উপহার সামগ্রী প্রদান এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষির্কীর অন্যতম আকর্ষণ বলেও জানান তিনি।

এছাড়া সংগঠনটির অন্যান্য ইউনিটের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির মধ্যে থাকবে কেক কাটা, আনন্দ র‍্যালি, আলোচনা অনুষ্ঠান, মানবিক কর্মসূচি পালন। সারাদেশের প্রত্যেকটি ইউনিট নিজের সুবিধা অনুযায়ী এই কর্মসূচিগুলো পালন করবে বলে জানায় হাসান আল মামুন।

২০১৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকারি চাকরিতে কয়েক দশক ধরে চলে আসা কোটা ব্যবস্থার প্রতিবাদে এদিন প্রাথমিকভাবে একটি মানববন্ধনের আয়োজন করে ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’। যাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানীর বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সাথে সমন্বয় রেখে ঢাকার বাইরেও বেশ কয়েকটি স্থানে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্লাটফর্মটির কর্মকাণ্ড যেমন বেড়েছে, তেমনি ছড়িয়েও পড়ে দেশব্যাপী। মূলত এসব বিষয়কে সামনে রেখেই কেন্দ্র ছাড়াও কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। ৫ দফা দাবি আদায়ে সোচ্চার হয়েছে সারাদেশের সাধারণ শিক্ষার্থী ও সরকারি চাকরিপ্রত্যাশীরা। মানববন্ধন থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন, এরপর বিক্ষোভ। সর্বশেষ ৮ এপ্রিল তাদের আন্দোলন বিস্ফোরকের মতো সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে।

এদিন দেশের প্রায় সবকটি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ছড়িয়ে পড়ে এবং শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেন। ঢাকার শাহবাগে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়। হাজার শিক্ষার্থী সেখানে অবস্থান নিয়ে কয়েক ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ করার পর রাতে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। শিক্ষার্থীরা এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির ভবনে ভাঙচুর করে এবং গাড়ি, আসবাবপত্রে আগুন লাগিয়ে দেয়। টানা আন্দোলনের মুখে ১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের দাবি মেনে নিয়ে জাতীয় সংসদে কোটা বাতিলের ঘোষণা দেন।

বর্তমানেও অন্যায়ের প্রতিবাদে সরব রয়েছে সংগঠনটি। বিভিন্ন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিক্ষোভ প্রতিবাদ করে যাচ্ছে তারা।

এসএসসিতে এক বিষয়ে ফেল করে নিখোঁজ, ৪ দিন পর উদ্ধার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
ঝালকাঠিতে মাদকসেবনের দায়ে ৫ জনের কারাদণ্ড
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
তারেক রহমানের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সমর্থনে ছাত্রদলের শোভাযাত্…
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
জাবিতে সাবেক ছাত্রদল নেতা নাহিদের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
পাবনায় মহানন্দা ট্রেনে সান্টিং ইঞ্জিনের ধাক্কা, আহত ১৫
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
আসামি ধরতে পুলিশকে সহযোগিতা, এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণের …
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬