গতি পাচ্ছে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চালুর প্রক্রিয়া

০৪ আগস্ট ২০১৮, ০৩:২৬ AM

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিশ্রুত খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প বাস্তবায়নে জাতীয় সংসদে বিল পাসের ৩ বছর অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত প্রকল্পের পরিচালক নিয়োগ হয়নি। একইসঙ্গে জমিসংক্রান্ত জটিলতার কারণে প্রকল্পের কাজেও কোনো অগ্রগতি নেই। তবে হতাশার মধ্যেও আশা জেগে উঠেছে।

অচিরেই গতি ফিরে পেতে যাচ্ছে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চালুর প্রক্রিয়া। জমিসংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত এ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য ৩০ জুলাই খুলনা কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট ও এর আশপাশের জমি পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সব জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত এ প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। 

ড. মসিউর রহমান বলেন, খুলনার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর কয়েকটি প্রতিশ্রুতি এরই মধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। তবে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি। এর একটি বড় অসুবিধা ছিল জমি। খুলনা কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে যে জমি রয়েছে তার চেয়ে বেশি জমির প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে আলাপ করে হিসাব পেয়েছি, খুলনা কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের ৫০ একর জমি রয়েছে।

আর আশপাশের এলাকায় অধিগ্রহণ করা হলে ৯০ একর জমি পাওয়া যাবে। এ জমি পাওয়া গেলে এখানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করা সম্ভব হবে। তবে এজন্য কৃষিবিদদের পরামর্শেরও প্রয়োজন হবে।

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে খোঁজখবর নিতে বলেছেন। তিনি বলেন, খোঁজ নিয়ে এ তথ্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করব। আশা করি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সব জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত এ প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আবু সায়েদ মো. মঞ্জুর আলম বলেন, ড. মসিউর রহমান জমিসংক্রান্ত ম্যাপ প্রস্তুত করে দিতে বলেছেন; যা দ্রুত উপস্থাপন করা হবে।   

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগ) আবদুর রেজ্জাক জানান, স্থানীয় জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে জমির হালনাগাদ প্রাক্কলন ব্যয় প্রস্তুত করে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পের পরিচালক নিয়োগ হলে তিনিই প্রকল্পের ডিপিপি প্রস্তুতসহ সব কাজ করবেন।  

উল্লেখ্য, নগরীর দৌলতপুরের কৃৃষি সম্প্রসারণ প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের অব্যবহৃত ৫০ একর জমি এবং পাশের ব্যক্তিমালিকানাধীন ১২ একর জমি নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার প্রাথমিক পরিকল্পনা গ্রহণ হয়। ২০১৫ সালের ৫ জুলাই জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ‘খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০১৫’ পাসের জন্য তোলা হলে কণ্ঠভোটে তা অনুমোদন পায়।

বিএনপির আরেক বিদ্রোহী প্রার্থী বহিষ্কার, দলে ফিরল দুজন
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
ধর্ম ও বিকাশ দিয়ে ভোট কেনা আচরণবিধির লঙ্ঘন নয়—প্রশ্ন রিজভ…
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
‘সাম্রাজ্যবাদী’ এজেন্ডা: ট্রাম্পের গাজা উন্নয়ন পরিকল্পনা আস…
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
জুলাই আন্দোলনে হামলার মামলায় কক্সবাজারে ইউপি চেয়ারম্যান গ্র…
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
প্রথমবারের মতো ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে ইউক্রেন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্…
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
এইচএসসির সময় মা’র মৃত্যু, জিপিএ-৫ না থেকেও মনিরের ঢাবিতে চা…
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬