পরীক্ষার হল © সংগৃহীত
আসন্ন এসএসসি পরীক্ষাকে সামনে রেখে পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষার সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে আসন বিন্যাস সংক্রান্ত নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।
নির্দেশনা অনুযায়ী, ৫ ও ৬ ফুট লম্বা বেঞ্চে সর্বোচ্চ দুইজন এবং ৪ ফুট লম্বা বেঞ্চে একজন পরীক্ষার্থী বসানো যাবে। কোনো অবস্থাতেই এর ব্যতিক্রম করা যাবে না। প্রতি বিশ) জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন কক্ষ প্রত্যবেক্ষক নিয়োগ দিতে হবে।তবে কোনোক্রমেই কোনো কক্ষে ২ জনের কম কক্ষ প্রত্যবেক্ষক রাখা যাবে না ।
এতে বলা হয়েছে, আসনগুলো এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে একটি থেকে অন্যটির যথেষ্ট দূরত্ব বজায় থাকে। একই বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীদের পরস্পরের সন্নিকটে আসন ব্যবস্থা করা যাবে না। কেন্দ্রের নিজস্ব বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীরা নিজ প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা দিতে পারবে না। আসন ব্যবস্থার এক বা একাধিক কপি পরীক্ষা কেন্দ্রের/ভেন্যুর কোনো প্রকাশ্য স্থানে সংশ্লিষ্ট সকলের জ্ঞাতার্থে ঝুলিয়ে দিতে হবে
এতে আরও বলা হয়, পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্রে উল্লিখিত রোল নম্বর তার আসন নম্বর হবে। বোর্ড অফিস কর্তৃক সরবরাহকৃত আসনপত্রে পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর লিখে ডেস্কের সাথে এঁটে দিতে হবে। একই আসন ব্যবস্থায় সকল বিষয়ের পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। রোল নম্বরসংবলিত প্রিন্ট আউট কপি অনুযায়ী প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর স্বাক্ষরলিপি পরীক্ষা আরম্ভ হবার পূর্বে অবশ্যই প্রস্তুত করতে হবে।
অসুস্থ পরীক্ষার্থীদের আসন ব্যবস্থা সম্পর্কে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অসুস্থ পরীক্ষার্থী নির্দিষ্ট আসনে বসে পরীক্ষা দিতে না পারলে কেন্দ্রসচিব তার জন্য বিশেষ স্থানের ব্যবস্থা করতে পারবেন। সংক্রামক রোগ বা ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত কোনো পরীক্ষার্থীকে সাধারণত পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় না। তবে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের বিপদ আশঙ্কা Activate থেকে মুক্ত রেখে তার জন্য পৃথক স্থানে আসনের ব্যবস্থা করতে পারবেন। উভয় ক্ষেত্রে এরূপ বিশেষ Set স্থানে আসনপ্রাপ্ত পরীক্ষার্থীরা নিজেরাই সব আনুষঙ্গিক ব্যয় বহন করবে।
কেন্দ্রসচিবদের উদ্দেশে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এসব ক্ষেত্রে কেন্দ্রসচিব লক্ষ্য রাখবেন যেন পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র এবং তার ব্যবহৃত অন্যান্য দ্রব্যাদি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের নিকট প্রেরণের পূর্বে উত্তমরূপে শোধন ও নির্বীজন করা হয়।