বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে বর্ণিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় © সংগৃহীত
ফুটবল কিংবা ক্রিকেট; ক্যাম্পাসে খেলা দেখার অনুভূতিটাই অন্যরকম। হলের টিভি রুম হয়ে যায় গ্যালারি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, ক্যাম্পাসের আড্ডা কিংবা ক্যান্টিনে চায়ে চুমুক দিতে দিতে বাধে তুমুল তর্ক। খেলা শেষ হয়, কিন্তু রয়ে যায় অম্ল-মধুর সে বিতর্কের রেশ।
রাশিয়ায় এই মুহর্তে চলছে ‘দ্যা গ্রেটেস্ট শো অব দ্যা আর্থ’ ফুটবল বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপ মানেই যেখানে বাড়তি উত্তেজনা, আর তা যদি দেখা হয় হল কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে, উত্তেজনা বাঁধ ভাঙবেই।
বাংলাদেশে ক্রীড়া উত্তেজনার অন্যতম স্থান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্বকাপ কিংবা যেকোন বড় আয়োজনে টিএসসি এবং আবাসিক হলগুলোতে বড় পর্দায় একত্রে খেলা উপভোগ করেন হাজারো শিক্ষার্থী। ক্যাম্পাসের সাবেক কিংবা আশপাশের মানুষও সেখানে জড়ো হন উত্তেজনার ভাগ নিতে। একটি গোল কিংবা তা মিস হলে যে অনুভূতি, অনেকে একসঙ্গে না দেখলে তার উচ্ছাশ কিংবা তৃপ্তি হয়না সেভাবে। তাইতো ক্যাম্পাসে খেলা দেখার অনুভূতিটাই আলাদা।
.jpg)
রাতের টিএসসিতে ফুটবল বিশ্বকাপ; অনুভূতিটাই অন্যরকম! ছবি : সংগৃহীত।
ফুটবল বিশ্বকাপ উত্তেজনার পাশাপাশি সৌন্দর্য্যও বাড়ায় বহুমাত্রায়। গায়ে প্রিয় দলের জার্সি, উড়ছে সমর্থক দেশের পতাকা। হল গেট, টিভি রুম, ক্যান্টিন, হলের বারান্দা কিংবা নিজ রুমের ভেতর-বাহিরে অঙ্কিত প্রিয় দল, খেলোয়াড়ের নাম, পতাকা ও ছবি সৌন্দর্য্য বাড়ায় বহুগুন।
.jpg)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা প্রীতি বিতর্ক। ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশের দর্শকরা ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা কিংবা জার্মানিতে বিভক্ত বেশি। রয়েছে স্পেন, ফ্রান্স কিংবা এশিয়া থেকে অংশগ্রহণকারী দেশের সমর্থকও। পছন্দের খেলোয়াড়দের মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন মেসি, রোনালদো, নেইমাররা। এসব দল কিংবা খেলোয়াড়ের জয়-পরাজয়, অর্জন কিংবা হতাশাজনক পারফরম্যান্স থেকেই জন্ম নেয় উত্তেজনা এবং বিতর্ক। কার দল কয়বার বিশ্বকাপ জিতলো, কে কয় গোল হজম করলো, কোন প্লেয়ার সেরা এসব নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি ফেসবুকে হাজারো ট্রলে চলছে ভিন্নরকম উন্মাদনা।