নাভিনেথেম ‘নাভি’ পিল্লাই © সংগৃহীত
২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন নাভিনেথেম ‘নাভি’ পিল্লাই। শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইন প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির প্রধান জর্গেন ওয়াটনে ফ্রিডনেস এ ঘোষণা দিয়েছেন।
পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে ফ্রিডনেস বলেন, নাভি পিল্লাই ‘আন্তর্জাতিক আইনের পরিধি ও প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছেন’। অসাধারণ সাহসিকতার সঙ্গে তিনি ‘আরও সমন্বিত বৈশ্বিক আইনি ব্যবস্থা’ প্রতিষ্ঠার পথ দেখিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পিল্লাইয়ের দীর্ঘ কর্মজীবনের প্রশংসা করে নোবেল কমিটির প্রধান বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় গভীর বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে একজন আইনজীবী হিসেবে তিনি তার কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। ফ্রিডনেসের ভাষায়, পিল্লাই ‘দৃঢ় নৈতিক আদর্শের অধিকারী’।
নোবেল শান্তি পুরস্কারের ইতিহাসে এ পর্যন্ত ১০৬ বার পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এতে ১১২ জন ব্যক্তি ও ৩১টি প্রতিষ্ঠান পুরস্কার পেয়েছে। বিজয়ীদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের চারজন প্রেসিডেন্ট—থিওডোর রুজভেল্ট, উড্রো উইলসন, জিমি কার্টার ও বারাক ওবামা।
২০১৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতে ইতিহাস গড়েন পাকিস্তানের শিক্ষা অধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাই। তিনিই এ পুরস্কারের সবচেয়ে কম বয়সী বিজয়ী।
১৯৭৩ সালে ভিয়েতনামের রাজনীতিবিদ লে ডাক থো নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন। ভিয়েতনামে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা ও সমঝোতায় যৌথভাবে ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিতে তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। তবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘিত হওয়ার কারণ দেখিয়ে তিনি পুরস্কারটি গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান।
নোবেল শান্তি পুরস্কারের উল্লেখযোগ্য বিজয়ীদের মধ্যে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র এবং মানবসেবী মাদার তেরেসা।