নেপালের কাদায় ভরা টানেলে ৪০০ শ্রমিক আটকা পড়ার আশঙ্কা

৩০ আগস্ট ২০২৬, ১০:০৩ AM
 টানেলে আটকা অসংখ্য শ্রমিক

টানেলে আটকা অসংখ্য শ্রমিক © সংগৃহীত

কাদা আর পানিতে পুরোপুরি ভরে গেছে টানেল। ভেতরে আটকা পড়ে থাকতে পারেন ৩০০ থেকে ৪০০ শ্রমিক। এরই মধ্যে কয়েকজনের সঙ্গে প্রায় তিন দিন ধরে কোনো যোগাযোগ নেই। বিপজ্জনক পরিস্থিতির কারণে উদ্ধারকারী দলও টানেলের ভেতরে বেশি দূর এগোতে পারেনি। সময় যত গড়াচ্ছে, আটকা পড়া শ্রমিকদের নিয়ে ততই বাড়ছে উদ্বেগ।

নেপালের রাসুয়া জেলার হাক্কু-২১৬ এলাকায় কাদায় ও পানিতে ভরা টানেলের ভেতরে ৩০০ থেকে ৪০০ শ্রমিক আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে নেপাল মাউন্টেনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশন (এনএমএ)।

ভারী কাদা ও পানির কারণে উদ্ধারকাজ মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পরিস্থিতি যাচাই করতে এবং আটকা পড়া শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে এনএমএ তাদের উদ্ধারকারী দলকে টানেল নম্বর ১, ২ ও ৩-এ পাঠিয়েছে। উদ্ধারকাজের দায়িত্বে থাকা বিক্রম কার্কির নেতৃত্বে দলটি সেখানে যায়।

তবে টানেলের ভেতরের পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং সেখানে উদ্ধারকাজ চালানো প্রযুক্তিগতভাবে কঠিন হওয়ায় দলটি আর সামনে এগোতে পারেনি।

মাঠপর্যায় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, টানেলগুলোর ভেতরে আনুমানিক ৩০০ থেকে ৪০০ শ্রমিক আটকা পড়ে থাকতে পারেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের সঙ্গে প্রায় তিন দিন ধরে কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলেও জানা গেছে।

এ পরিস্থিতিতে এনএমএ দ্রুত বিশেষায়িত উদ্ধার অভিযান শুরু করার আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, বন্যার পানি, কাদা এবং সংকীর্ণ টানেলের মতো কঠিন পরিবেশে কাজ করতে সক্ষম বিশেষ প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী দলকে এই অভিযানে যুক্ত করতে হবে।

উদ্ধারকাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন পানির পাম্প প্রয়োজন বলে জানিয়েছে এনএমএ। পাশাপাশি টানেলের ভেতর জমে থাকা কাদা ও ধ্বংসাবশেষ সরানোর জন্য ভারী যন্ত্রপাতি এবং আটকা পড়া শ্রমিকদের অবস্থান শনাক্ত করতে উন্নত অনুসন্ধান ও শনাক্তকরণ সরঞ্জামও প্রয়োজন।

এ ছাড়া উদ্ধারকারী দলের জন্য প্রযুক্তিগত দড়ি, সংকীর্ণ জায়গা থেকে মানুষ উদ্ধারের বিশেষ সরঞ্জাম, শ্বাস নেওয়ার প্রয়োজনীয় যন্ত্র এবং জীবন রক্ষাকারী সহায়তা ব্যবস্থাও জরুরি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এনএমএ চিকিৎসা ও জরুরি সেবা দেওয়ার জন্য বিশেষ দল পাঠানোরও আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি অভিজ্ঞ পর্বতারোহী, ক্যানিয়নিং, গুহা উদ্ধার এবং প্রযুক্তিগত উদ্ধারকাজে দক্ষ বিশেষজ্ঞদের এই অভিযানে যুক্ত করার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।

এনএমএর সাধারণ সম্পাদক রাজেন্দ্র বাহাদুর লামা জানিয়েছেন, সরকারি কর্তৃপক্ষ, নিরাপত্তা সংস্থা এবং দেশি-বিদেশি বিশেষায়িত উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে সমন্বয় করে কারিগরি সহায়তা দিতে তাদের উদ্ধারকারী দল প্রস্তুত রয়েছে।

এনএমএ বলেছে, এখন প্রতিটি মুহূর্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আটকা পড়া শ্রমিকদের কাছে দ্রুত পৌঁছাতে এবং তাদের জীবন বাঁচাতে যত দ্রুত সম্ভব সব ধরনের প্রয়োজনীয় সম্পদ ও জনবল কাজে লাগাতে হবে।

একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার যে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন পেল
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, গাজীপুরে এনসিপি নে…
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘ডমেস্টিক থ্রি’ ট্রফির সহকারী কোচ যে ১২ জন
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মাদক ও বাল্যবিবাহ নিয়ে ‘হ্যালো ডিসি’তে তথ্য দিলেই মিলবে পুর…
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আন্দোলনের অষ্টম দিনে চুয়েট শিক্ষার্থীদের মুখোশ মিছিল ও আইড…
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শহীদ আবু সাঈদের বাড়ি ও কবরস্থানের উন্নয়নে কোটি টাকা দেওয়ার …
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬