হাসিনা বিতর্কে থমকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের নতুন সূচনা: অচলাবস্থা কাটবে কীভাবে?

২৫ আগস্ট ২০২৬, ০২:৫৩ PM , আপডেট: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০২:৫৩ PM
নরেন্দ্র মোদি ও তারেক রহমান

নরেন্দ্র মোদি ও তারেক রহমান © টিডিসি সম্পাদিত

চলতি বছরের শুরুতে দায়িত্ব নেওয়ার পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফরের পরিকল্পনা নিয়ে নীরবে কাজ করছিল নয়াদিল্লি ও ঢাকা। কিন্তু একটি সংবাদ সম্মেলন সেই উদ্যোগে নতুন জটিলতা তৈরি করেছে।-খবর আল-জাজিরার

গত ৫ আগস্ট ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি থেকে ভিডিওর মাধ্যমে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সঙ্গে তার ছেলে এবং দলের অন্য নেতারাও ছিলেন। সেখানে তারা ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সমালোচনামূলক বক্তব্য দেন; যে আন্দোলনের মধ্য দিয়েই ক্ষমতাচ্যুত হন হাসিনা।

এরপর দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায় বাংলাদেশ। ভারতীয় ভূখণ্ডে অবস্থান করে শেখ হাসিনাকে প্রকাশ্যে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ঢাকা। বাংলাদেশের অভিযোগ, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারে; এমন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করতে না দেওয়ার জন্য ভারতকে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল।

পরবর্তীতে বাংলাদেশ জানায়, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য একটি ‘অনুকূল পরিবেশ’ প্রয়োজন। একই সঙ্গে শেখ হাসিনা ও ভারতে অবস্থানরত অন্যান্য পলাতক আসামিকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধে পদক্ষেপ নিতে নয়াদিল্লির প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এখনো ‘পর্যালোচনাধীন’ রয়েছে। তবে বাংলাদেশি কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকদের সঙ্গে আল জাজিরার কথোপকথনে উঠে এসেছে, বর্তমান বিরোধ কেবল প্রত্যর্পণ প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নয়।

মূল প্রশ্ন হতে পারে—শেখ হাসিনাকে ভারত কবে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেবে, তা নয়; বরং তিনি ভারতে অবস্থানকালে তাকে কী ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করতে দেওয়া হবে।

নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সাবেক প্রেস মিনিস্টার ফয়সাল মাহমুদ বলেন, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ এবং ভারত থেকে তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড—দুটি বিষয়কে আলাদাভাবে দেখতে হবে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার অচলাবস্থার বড় কারণ হলো, নয়াদিল্লি শেখ হাসিনাকে ভারতে অবস্থান করে কার্যত একটি মেগাফোন দিয়েছে। অথচ ঢাকা ভারতকে স্পষ্টভাবেই বলেছিল, তাকে এ ধরনের সুযোগ না দিতে।’ তার মতে, প্রত্যর্পণ সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং অনেক বেশি জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি একটি প্রক্রিয়া। তারেক রহমানের সরকারও বিষয়টি বুঝতে পারে।

ফয়সাল মাহমুদ বলেন, ‘এই মুহূর্তে তারেক রহমানের প্রস্তাবিত ভারত সফর কিংবা দুই দেশের শীতল সম্পর্ক নতুন করে স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে মূল অচলাবস্থা শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণকে কেন্দ্র করে নয়। বরং ভারতের মাটি থেকে তাকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে দেওয়াই মূল সমস্যা।’

বর্তমান বিএনপি সরকারের সময়ের আগেও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ ছিল। ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের তৎকালীন অন্তর্বর্তী প্রশাসনের প্রধান ও নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ‘উসকানিমূলক বক্তব্য’ দেওয়া বন্ধ করার অনুরোধ করেছিলেন।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান হুমায়ুন কবির বলেন, ঢাকা পারস্পরিক আস্থা ও সম্মানের ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে একটি ভালো ও কার্যকর সম্পর্ক চায়। তবে তিনি অভিযোগ করেন, ‘শেখ হাসিনার মতো ব্যক্তিদের ভারত থেকে আমাদের দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।’

হুমায়ুন কবিরের মতে, দুই দেশের নেতৃত্ব চাইলে সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে যেতে পারে। তবে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতা নয়াদিল্লিকে বুঝতে হবে। তিনি বলেন, ‘কোনো সার্বভৌম দেশের মাটি থেকে কাউকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে দেওয়া যায় না। যারা আমাদের মানুষ হত্যা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে, তাদের ভারত থেকে কথা বলা এবং বাংলাদেশে সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।’

শেখ হাসিনা ছাড়াও বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত অন্যান্য বাংলাদেশিকে ফেরত দেওয়ার দাবিও জানিয়েছে ঢাকা। এর মধ্যে শেখ হাসিনা ও ভারতের কঠোর সমালোচক শরীফ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের আসামিদের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। হত্যার পর তারা ভারতে পালিয়ে গেলে পরে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাদের গ্রেপ্তার করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

তবে হুমায়ুন কবিরের বক্তব্যে এটিও স্পষ্ট যে, শেখ হাসিনা ইস্যুকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ বন্ধ রাখতে চায় না ঢাকা। তিনি জানান, তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আলোচনা চলছে। শেষ পর্যন্ত দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক অনিবার্য বলেও মনে করেন তিনি।

গত সপ্তাহে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে তারেক রহমানকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে একটি নোটিশ প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেটি প্রত্যাহার করা হয়। হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বৈঠক অবশ্যই হবে। তবে সেটি তখনই হবে, যখন তা আমাদের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।’ তিনি বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে হতে পারে, দুই সপ্তাহ পর হতে পারে, আবার দুই মাস পরও হতে পারে।’

ভারত কি শেখ হাসিনাকে ফেরত দেবে?
বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সীমিত করা এবং তাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করা—ভারতের জন্য দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান দমনে প্রাণঘাতী অভিযান পরিচালনার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে অনুপস্থিত অবস্থায় মৃত্যুদণ্ড পান শেখ হাসিনা। তবে তিনি এই বিচারপ্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর প্রথমবারের মতো ২০১৩ সালের বাংলাদেশ-ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় কূটনৈতিক নোট পাঠিয়ে শেখ হাসিনাকে ফেরত চায় বাংলাদেশ।

২০২৫ সালের নভেম্বরে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর ঢাকা আবারও একই দাবি তোলে। এরপর ভারত জানায়, বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

গত ১১ আগস্ট ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে বাংলাদেশের অনুরোধ ভারতের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরীক্ষা করা হচ্ছে। অগ্রগতি হলে বাংলাদেশকে জানানো হবে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রশ্নের জবাব দেয়নি।

বাংলাদেশে ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, প্রত্যর্পণের বিষয়টি চুক্তির বিধান এবং ভারতের আইনব্যবস্থার মাধ্যমেই এগোতে হবে। তিনি বলেন, ‘প্রত্যর্পণের জন্য আদালতের আদেশ পেতে সব আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।’ চুক্তিতে এমন কিছু শর্তও রয়েছে, যার ভিত্তিতে প্রত্যর্পণের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা যেতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

কূটনীতিতে প্রভাব ফেলছে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি
কিছু বিশ্লেষক শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়ার দাবির মধ্যেই রাজনৈতিক এক ধরনের দ্বন্দ্ব দেখছেন। বাংলাদেশের রাজনীতির দীর্ঘদিনের পর্যবেক্ষক ডেভিড বার্গম্যানের মতে, ঢাকা হয়তো জানে ভারত কখনোই শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ করবে না। তারপরও জনমতের কাছে ইতিবাচক বার্তা দিতে এই দাবি জানানো হচ্ছে। তিনি বলেন, একই সময়ে সরকার হয়তো শেখ হাসিনার দেশে ফেরাকেও প্রকৃতপক্ষে চায় না।

অন্যান্য বিশ্লেষকরাও মনে করেন, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা ঢাকা সরকারের জন্য নতুন রাজনৈতিক ও আইনি জটিলতা তৈরি করতে পারে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হেফাজতে রাখা এবং সম্ভাব্য মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের মতো সংবেদনশীল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে সরকারকে। আন্তর্জাতিকভাবেও বিষয়টি বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

সম্পর্ক ছিন্ন করতে চায় না কেউই
শেখ হাসিনা ইস্যুতে রাজনৈতিক টানাপোড়েন থাকলেও দুই দেশের বাস্তবভিত্তিক সম্পর্ক থেমে নেই। চলতি মাসে ভারতের শিল্প সংগঠন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা সফর করে মন্ত্রী ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। ভারতীয় হাইকমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে বার্ষিক দ্বিপক্ষীয় পণ্য বাণিজ্য এখনো ১ হাজার ২০০ কোটি ডলারের বেশি। এর মধ্যে বাংলাদেশে ভারতের রপ্তানির পরিমাণ ১ হাজার ৫৬ কোটি ডলার।

সাবেক ভারতীয় হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তীর ভাষায়, এর পেছনে রয়েছে ভৌগোলিক বাস্তবতা। তিনি বলেন, ‘ভূগোল ভূরাজনীতির একটি অপরিবর্তনীয় বাস্তবতা। এটি ভারত ও বাংলাদেশকে এমনভাবে যুক্ত করেছে, যা দুই দেশের নীতিনির্ধারকেরা উপেক্ষা করতে পারেন না।’

তবে তারেক রহমানের ভারত সফরের সঙ্গে কোনো শর্ত যুক্ত করায় বাংলাদেশের সমালোচনা করেন তিনি। তার ভাষায়, বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থ ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক কোনো ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে জিম্মি করে রাখা উচিত নয়।

দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ও ভারতের ওপি জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক শ্রীরাধা দত্ত বলেন, বাংলাদেশ তার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বহুমুখী করার চেষ্টা করলেও ভারতের কৌশলগত গুরুত্ব কমেনি।

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক সম্প্রসারণ, তুরস্কের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং পাকিস্তানের সঙ্গে নতুন করে যোগাযোগ—এসব বিষয় ভারতের মধ্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও কৌশলগত খাতে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পৃক্ততার কথা তুলে ধরেন তিনি। তবে তার মতে, অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক যতই বাড়ুক, ভৌগোলিক ও কৌশলগত কারণে ভারতের গুরুত্ব কমবে না।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ স্থলসীমান্ত রয়েছে। পাশাপাশি ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় যোগাযোগ, নিরাপত্তা ও প্রতিবেশী নীতিতে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে ৭০টিরও বেশি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা কাঠামোও কার্যকর রয়েছে।

এই পারস্পরিক নির্ভরশীলতাই হয়তো ব্যাখ্যা করে কেন রাজনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যেও উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের দরজা পুরোপুরি বন্ধ করেনি নয়াদিল্লি।

গত ১৮ আগস্ট ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তারেক রহমানের ভারত সফরের আমন্ত্রণ এখনো বহাল রয়েছে। পারস্পরিক স্বার্থ ও পারস্পরিকতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি ‘ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যতমুখী’ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায় ভারত।

এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো; কোনো প্রকাশ্য বা গোপন সমঝোতা কি দুই সরকারের জন্য এমন রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে পারবে, যার মাধ্যমে কেউই পিছু হটেছে বলে মনে না করেই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পথে এগোতে পারে?

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নিয়োগ দেবে ৬ থেকে ১১তম গ্রেডে, আব…
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডেঙ্গুতে বুটেক্স কর্মচারীর মৃত্যু, উপাচার্যের শোক
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইবির আয়েশা সিদ্দিকা হল ডিবেটিং সোসাইটির নেতৃত্বে আজমেরি-ফার…
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম সমাবর্তনের তারিখ ঘোষণা 
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চুরির প্রতিবাদ করায় সাতক্ষীরায় দুই শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রথমবারের মতো মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করল যু…
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
FALL 2026
Application Deadline Wednesday, 16 Sept 2026
Apply Now

Admission Test Schedule

  • Test Date: Friday, 18 Sept 2026
  • Written Exam: 10:00 – 11:00 AM
  • Oral Viva: 11:30 AM onwards

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9