যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় ঘোষণা আসতে পারে: রুবিও 

২৪ মে ২০২৬, ০৩:৪২ PM , আপডেট: ২৪ মে ২০২৬, ০৩:৪৩ PM
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও © সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতের অবসান ঘটাতে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একটি বড় ঘোষণা আসতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। বর্তমানে ভারত সফরে থাকা রুবিও এই সম্ভাব্য চুক্তিকে বিশ্বের জন্য একটি ‘ভালো খবর’ বলে উল্লেখ করেছেন। এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে জানান, ওয়াশিংটন একটি ৬০ দিনের বর্ধিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির খুব কাছাকাছি রয়েছে। ট্রাম্পের মতে, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং আরও কয়েকটি দেশের মধ্যে এই আলোচনার খসড়া এখন চূড়ান্ত হওয়ার অপেক্ষায়।

নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও বলেন, বিশ্ব হয়তো আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একটি ভালো খবর পেতে যাচ্ছে। প্রস্তাবিত এই শান্তি চুক্তিতে বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য বৈশ্বিক তেল সরবরাহের ওপর চাপ কমানো এবং যুদ্ধের বিস্তার ঠেকানো। গত ফেব্রুয়ারিতে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান বৈশ্বিক বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ প্রায় পুরোপুরি বন্ধ করে রেখেছে। 

তিনি জানান, নতুন চুক্তির আওতায় ইরান এই প্রণালিতে স্থাপন করা মাইন সরিয়ে নিতে এবং জাহাজ চলাচলের জন্য এটি উন্মুক্ত করতে সম্মত হয়েছে। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত অবরোধ তুলে নেবে এবং কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে, যাতে ইরান অবাধে তেল বিক্রি করতে পারে। মার্কিন কর্মকর্তা একে ট্রাম্পের কাজের বিনিময়ে স্বস্তি নীতি হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

অবশ্য তেহরানের পক্ষ থেকে বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা না হলেও তারা চুক্তির খুব কাছাকাছি থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে। তবে ইরান শর্ত দিয়েছে যে, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের নৌ-অবরোধ তুলে নিতে হবে এবং আটকে থাকা বিদেশি সম্পদ অবমুক্ত করতে হবে। খসড়া সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, ৬০ দিনের এই সময়কালে হরমুজ প্রণালি শুল্কমুক্ত থাকবে। একই সঙ্গে চুক্তিতে ইরানের পক্ষ থেকে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা না করার অঙ্গীকার এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত করার বিষয়ে আলোচনায় বসার কথাও রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট করেছে, বাস্তব ছাড় ও চূড়ান্ত চুক্তি নিশ্চিত হওয়ার আগে জব্দ অর্থ স্থায়ীভাবে ছাড় করা হবে না এবং সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা মার্কিন বাহিনী এই ৬০ দিন অঞ্চলেই অবস্থান করবে।

এদিকে, এই খসড়া সমঝোতা স্মারকে লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার যুদ্ধ শেষ হওয়ার বিষয়টিও স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। শনিবার ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই শর্তটি নিয়ে নিজের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কারণে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা আশ্বস্ত করেছেন যে এটি কোনো একতরফা যুদ্ধবিরতি হবে না। হিজবুল্লাহ পুনরায় হামলার চেষ্টা করলে ইসরায়েলকে তা প্রতিরোধের অনুমতি দেওয়া হবে, অর্থাৎ হিজবুল্লাহ শান্ত থাকলে ইসরায়েলও শান্ত থাকবে। 

মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, নেতানিয়াহুর নিজস্ব রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা থাকলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সার্বিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও বৈশ্বিক অর্থনীতির বড় স্বার্থটি বিবেচনা করতে হচ্ছে।

বার্ন ইনস্টিটিউটের যুগ্মপরিচালক ডা. ইকবাল, সহকারী পরিচালক ড…
  • ২৪ মে ২০২৬
গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
  • ২৪ মে ২০২৬
পাকিস্তানে ট্রেনে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ২৪
  • ২৪ মে ২০২৬
ফিজিক্যাল ও ডিজিটাল স্পেসে নারী ও শিশুদের সুরক্ষায় করণীয়
  • ২৪ মে ২০২৬
নিপসমের পরিচালকের রুটিন দায়িত্বে অধ্যাপক ডা. রুবেনা হক
  • ২৪ মে ২০২৬
শপআপ নিয়োগ দেবে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার, কর্মস্থল ঢাকা
  • ২৪ মে ২০২৬