তেল শোধনাগারে চীনের পতাকাবাহী একটি জাহাজ © সংগৃহীত
ইরান থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানির অভিযোগে চীনের অন্যতম বৃহৎ তেল শোধনাগার ‘হেংলি পেট্রোকেমিক্যাল’-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এই ঘোষণা দেয়। হেংলি পেট্রোকেমিক্যাল চীনের দ্বিতীয় বৃহত্তম ‘টিপট’ বা স্বাধীন শোধনাগার হিসেবে পরিচিত।
ওয়াশিংটনের দাবি, এই কোম্পানিটি তেহরানের অপরিশোধিত তেলের অন্যতম বড় গ্রাহক এবং তেল ক্রয়ের মাধ্যমে তারা ইরানের সামরিক খাতের জন্য বিপুল রাজস্ব জোগাতে সহায়তা করছে। ইসরায়েল-ইরান সংঘাত নিরসনে সম্ভাব্য নতুন আলোচনার প্রস্তুতির মধ্যেই এই কঠোর পদক্ষেপ নিল ট্রাম্প প্রশাসন।
ট্রেজারি বিভাগ হেংলির পাশাপাশি ইরানের ‘শ্যাডো ফ্লিট’ বা ছায়া জাহাজের বহরের সাথে যুক্ত প্রায় ৪০টি শিপিং ফার্ম ও জাহাজের ওপরও নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে গত ১৩ এপ্রিল থেকে মার্কিন নৌবাহিনী ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ দিয়ে রেখেছে, যার মূল লক্ষ্য তেহরানের তেল ও গ্যাস রপ্তানি থেকে আয় বন্ধ করা।
এই নিষেধাজ্ঞার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস। দূতাবাসের একজন মুখপাত্র বাণিজ্য ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ইস্যুকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, চীন তাদের প্রয়োজনীয় তেলের অর্ধেকেরও বেশি মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে এবং গত বছর ইরানের মোট রপ্তানি করা তেলের ৮০ শতাংশই ক্রয় করেছে বেইজিং।