আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার শুরু

১২ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:১৭ AM
রোহিঙ্গা শরনার্থীরা

রোহিঙ্গা শরনার্থীরা © সংগৃহীত

প্রায় এক দশক পর মিয়ানমারের ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যার বিচার শুরু হতে যাচ্ছে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজি)। এই আদালত ‘বৈশ্বিক আদালত’ বা ‘ওয়ার্ল্ড কোর্ট’ নামেও পরিচিত।

নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত জাতিসংঘের এই আদালতে আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) দেশটির স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) মামলার শুনানি শুরু হচ্ছে। টানা তিন সপ্তাহ ধরে চলবে এই শুনানিপর্ব।

জাতিসংঘে রোহিঙ্গা গণহত্যা সংক্রান্ত মামলার তদন্তকারী সংস্থা ‘ইউএন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মিয়ানমার’-এর প্রধান নিকোলাস কৌমজিয়ান বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০১৭ সালের জুলাই মাসে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে কয়েকটি পুলিশ ফাঁড়ি ও সেনা ছাউনিতে হামলার ঘটনা ঘটে। মিয়ানমার সরকার এসব হামলার জন্য সশস্ত্র রোহিঙ্গা গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা)-কে দায়ী করে। এর জেরে ওই বছরের আগস্টে রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী।

অভিযানের নামে রোহিঙ্গা বেসামরিক জনগোষ্ঠীর ওপর নির্বিচার হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ চালানো হয়। এই সহিংসতার মুখে লাখ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশসহ আশপাশের বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অনুযায়ী, সে সময় প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন এবং তারা এখনও সেখানে অবস্থান করছেন।

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ওই সেনা অভিযানের পর জাতিসংঘের একটি স্বাধীন অনুসন্ধানী দল ঘটনার তদন্ত চালায়। তদন্ত প্রতিবেদনে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর কর্মকাণ্ডকে ‘গণহত্যামূলক’ বলে উল্লেখ করা হয়।

এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই ২০১৯ সালে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া জাতিসংঘের বৈশ্বিক আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা দায়ের করে। সোমবার শুরু হওয়া শুনানি সেই মামলারই অংশ।

রোহিঙ্গা নিপীড়নের সময় মিয়ানমারের সরকারপ্রধান ছিলেন নোবেলজয়ী অং সান সুচি। সে সময় তিনি জাতিসংঘের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন। গাম্বিয়ার দায়ের করা মামলাকেও তিনি ‘অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর’ বলে অভিহিত করেছিলেন।

২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সুচির সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। বর্তমানে তিনি মিয়ানমারের কারাগারে আটক রয়েছেন এবং দুর্নীতির অভিযোগে সামরিক আদালতে তার বিচার চলছে।

মামলার প্রধান তদন্তকারী কর্মকর্তা নিকোলাস কৌমজিয়ান রয়টার্সকে বলেন, গণহত্যার সংজ্ঞা কী, কীভাবে গণহত্যার অভিযোগ প্রমাণ করা যায় এবং কীভাবে এ ধরনের অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব—এই মামলার মাধ্যমে সেসব প্রশ্নের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা পাওয়া যাবে। আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার জন্য এটি একটি নজির হয়ে থাকবে।

সুত্র: রয়টার্স

দেশের ফ্রিল্যান্সাররা পাচ্ছেন বিশেষ সুবিধার সরকারি ডিজিটাল …
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
জিএসটি গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হলো আরও এক বিশ্ববিদ্যালয়
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না জামায়াত প্রার্থী ফজলুল
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
শত্রু দেশের ওপর নজরদারি করতে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠাল ভারত
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থায় চাকরি, আবেদন স্নাতক পাসেই
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের আবেদনের সুযোগ
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SPRING 2026
Application Deadline Wednesday, 21 January, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9